সময় কলকাতা ডেস্ক: ২৬ জুনঃ বর্ষার তাণ্ডবলীলায় বিপর্যস্ত সিকিম সহ সমগ্র উত্তরবঙ্গ। বিপর্যয় যেন কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না উত্তরবঙ্গের। মেঘভাঙা বৃষ্টিতে কার্যত বিপর্যস্ত পাহাড় ও সমতল। ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির জেরে তিস্তায় তৈরি হয়েছে হরপা বান। মঙ্গলবার রাত থেকে টানা বৃষ্টি শুরু হয়েছে, দার্জিলিংয়ে। লাগাতার বৃষ্টির কারণে বুধবার সকালে ফের ধস নামল ১০ নম্বর জাতীয় সড়কে। কালিম্পঙের লিখুভিরের কাছে ধস নেমেছে বলে খবর। দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই শিলিগুড়ি থেকে গ্যাংটক যাওয়ার রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বেশ কিছু গাড়িকে লাভা গোরুবাথান রুট হয়ে চলাচল করতে বলা হয়েছে।
জানা গিয়েছে, একনাগাড়ে বৃষ্টির জেরে বুধবার সকালে লিখুভিরের কাছেই ধস নামে। পাহাড় বেয়ে বিশাল পাথর জাতীয় সড়কের উপর পড়ছে। এর জেরে সেই রাস্তা বন্ধ হয়ে রয়েছে। জাতীয় সড়কের দুই ধারেই গাড়ির লম্বা লাইন পড়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই জাতীয় সড়ক থেকে ধস সরানোর কাজ শুরু করা হয়েছে। এদিকে, তিস্তার জল বাড়তে শুরু করায় তিস্তা বাজার থেকে দার্জিলিংগামী রাস্তা প্রশাসনের তরফে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে,মহানন্দা নদীর জলস্তরও বেড়েছে। জাতীয় সড়ক না খোলা পর্যন্ত পর্যটকদের গাড়িগুলিকে লাভা গোরুবাথান রুট হয়ে চলাচল করতে বলা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, কালিম্পং সহ একাধিক জেলায় বিগত কয়েকদিন ধরে বৃষ্টি হচ্ছে। সিকিমও প্রবল বৃষ্টির জেরে বিপর্যস্ত। ফুঁসছে তিস্তা নদী। ধসের কারণে অবরুদ্ধ একাধিক রাস্তাঘাট। গাড়ি চলাচল বন্ধ তো হয়েছেই, আটকে পড়েছেন বহু পর্যটকও। ভারী বৃষ্টিপাতের জেরে সিকিমের বাকি এলাকা থেকে কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে মঙ্গন, গেইথাং, নামপাথাং। ধসে গেইথাং, নামপাথাং এলাকাতেও বেশ কয়েকজন নিখোঁজ। জানা গিয়েছে, বিপর্যয়ে এখনও পর্যন্ত বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় আটকে রয়েছেন কয়েক হাজার পর্যটক।
#Latestbengalinews
#ধস
#লাগাতারবৃষ্টিরজেরেবিপর্যস্তউত্তরবঙ্গ


More Stories
শাবকহারা উদ্বিগ্ন-উন্মত্ত মা গন্ডারের মৃত্যু ফালাকাটায়
গজরাজদের খিদে পায়, হাতি কাহা কাহা চলে !
মমতা -অভিষেককে ৩০ হাজার করে ভোটে হারাতে না পারলে নাকখত দেবেন হুমায়ুন কবীর