সময় কলকাতা ডেস্ক:- বন্ধুর বাড়ি থেকে ফেরার পথে কিশোরীর গায়ে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ। তিন দুষ্কৃতী রাস্তার উপরই বছর পনেরোর ওই কিশোরীর শরীরে আগুন লাগিয়ে দেয় বলে জানা গিয়েছে। হাড়হিম করা ঘটনাটি ঘটেছে ওড়িশার পুরীর নীমপড়ার বেয়াবার এলাকায়। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই বিজেপি শাসিত ওড়িশায় নারী নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সরব হয়েছে তৃণমূল। এই সাংঘাতিক ঘটনার সঙ্গে ‘বেটি বাঁচাও’ স্লোগানকে কটাক্ষ করে বিজেপিকে বিঁধেছে তৃণমূল। কী বলেছেন তার আগে প্রেক্ষাপট জানা প্রয়োজন।
ঘটনা হল, বন্ধুর বাড়ি থেকে বাড়ি ফিরছিল বছর পনেরোর এক ছাত্রী। হঠাৎ তার রাস্তা আটকে গায়ে আগুন ধরিয়ে দিয়ে পালিয়ে যায় তিন অজ্ঞাতপরিচয় যুবক। ঘটনাস্থল ওড়িশার নীমপড়ার বেয়াবার। শনিবার সকাল সাড়ে ৮টা নাগাদ ঘটনাটি ঘটেছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী, মেয়েটির রাস্তা আটকে দাঁড়িয়েছিলেন তিন জন। কিছুক্ষণ বচসা হয় মেয়েটির সঙ্গে।
তার পরেই মেয়েটির গায়ে আগুন ধরিয়ে দিয়ে চম্পট দেন তিনজন। দগ্ধ অবস্থায় রাস্তায় ছটফট করছিল মেয়েটি। কয়েক জন তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেই নিয়েই তৃণমূল বলে, বিজেপির ডবল-ইঞ্জিন রাজ্য ওড়িশায় ১৫ বছরের এক কিশোরীকে প্রকাশ্য রাস্তায় পেট্রোল ঢেলে জ্যান্ত জ্বালিয়ে দিল দুষ্কৃতীরা।
এটা বিজেপি-শাসিত রাজ্যের বাস্তব চিত্র, যেখানে একটা মেয়েও নিরাপদ নয়। ‘বেটি বাঁচাও’ বলে যারা বুক ফুলিয়ে ভোট চায়, তাদের নিজেদের শাসিত রাজ্যেই মেয়েদের সুরক্ষা নেই।
যে জায়গায় ওই ঘটনাটি ঘটেছে, সেখান থেকে থানা মাত্র দেড় কিলোমিটার দূরে। ফলে বিজেপি শাসিত ওড়িষায় নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তো উঠছেই। ছাত্রীকে হেনস্থা এবং খুনের চেষ্টার অভিযোগ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিবৃতি দিয়েছেন ওড়িশার উপমুখ্যমন্ত্রী প্রবতী পারিদা। এই ঘটনাকে ‘অত্যন্ত দুর্ভগ্যজনক’ বলে আখ্যা দিয়ে মহিলা উপমুখ্যমন্ত্রী জানান, অবিলম্বে অভিযুক্তদের ধরা হবে। আইনের মাধ্যমে তাঁদের কঠিনতম শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। পাশাপাশি তিনি ঘোষণা করেছেন, মেয়েটির চিকিৎসার যাবতীয় ব্যয়ভার বহন করবে ওড়িশা সরকার। তিনি হাসপাতালে দেখতে যাবেন ছাত্রীটিকে।


More Stories
গ্রেফতার কলকাতা পুরসভার দুই কাউন্সিলর
আরজিকর কাণ্ডের আইনি ফাঁসে রচনা
নেতা নয় নায়ক, যমের অরুচি, ঋতব্রতকে ভয়ঙ্কর আক্রমণ শতরূপের