সময় কলকাতা ডেস্ক, ৩ জানুয়ারি : ব্রিটিশ ভারত, ঔপনিবেশিক ইতিহাস ও স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ের ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা প্রাচীন ইঞ্জিনিয়ারিং সংস্থা জেসপ এন্ড কোম্পানি বহুবছর ধরে বন্ধ। ১৭৮৮ সালে ব্রিন অ্যান্ড কোম্পানি নামে ইংল্যান্ডের ডার্বিশায়ারে কোম্পানিটি নথিভুক্ত হয়। ১৮২০ সাল থেকে এর পরিচিতি জেসপ এন্ড কোম্পানি নামে। ২০০৩ সালে ভারত সরকারের বিলগ্নিকরণ (disinvestment) কর্মসূচির অংশ হিসেবে রুইয়া গ্রুপ এই কোম্পানির ৭২ শতাংশ শেয়ার কিনে নেয় যাকে পরবর্তীকালে কার্যত বিতর্কিত সিদ্ধান্ত হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। লোকসান ও আর্থিক সংকটে ভুগতে থাকা জেসপ কোম্পানি কার্যত এক যুগ ধরে বন্ধ। মূলত আর্থিক ক্ষতি, সরকারি নীতি পরিবর্তন (বেসরকারিকরণ), এবং ব্যবস্থাপনা নিয়ে সমস্যার কারণে উত্তর সংস্থার কার্যক্রম ব্যাপকভাবে হ্রাস পায় ও কারখানা বন্ধ হয়ে যায়। গত কয়েক বছরে একের পর এক বিতর্ক গ্রাস করেছে জেসপকে। কখনও আগুন লেগেছে, বারবার যন্ত্রাংশ বিক্রি হয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। জেসপ আরও অন্ধকারে তলিয়ে গিয়েছে। এক যুগ ধরে চলছে অচলাবস্থা।
জট কাটাতে প্রধানমন্ত্রী থেকে রাজ্যের বিভিন্ন মন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীর কাছে দরবার করেছেন জেসপ কর্মীরা। এখনও চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তাঁরা।নিবার জেসপ ওয়ার্কার্স এন্ড এমপ্লয়িস ইউনিয়নের তরফে একটি দীর্ঘ বিক্ষোভ মিছিল বেরিয়েছে, মিছিলটি এক নম্বর এয়ারপোর্ট থেকে পদযাত্রা শুরু করে একটি পথ সভা করে। বন্ধ কারখানা খোলার জন্য এবার মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ প্রার্থনা করা হয়েছে। এর আগেও একাধিক প্রতিশ্রুতি ভেসে এসেছে রাজ্য সরকার ও কেন্দ্র সরকারের তরফে। অচলাবস্থা কাটার নাম গন্ধ নেই।।


More Stories
চমকে দিলেন অভিষেক, হাজির হলেন কারামুক্ত পরিযায়ী শ্রমিকের বাড়িতে, আক্রমণ সুকান্তকে
আবার সন্দেশখালিতে তৃণমূলের ঠ্যাঙাড়ে বাহিনীর দাপট! ইডির পরে এবার আক্রান্ত পুলিশ!প্রশ্নগুলো সহজ আর উত্তরও জানা!
এসআইআর : সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার কি বিজেপির ষড়যন্ত্রের শিকার?