Home » East Bengal : সমর্থকদের সামনে প্রকাশ্যে আনা হল জিকসনকে, পুলিশকে ছয় গোলের মালা পরাল ইস্টবেঙ্গল

East Bengal : সমর্থকদের সামনে প্রকাশ্যে আনা হল জিকসনকে, পুলিশকে ছয় গোলের মালা পরাল ইস্টবেঙ্গল

স্পোর্টস ডেস্ক, সময় কলকাতা, ২০ জুলাইঃ কলকাতা প্রিমিয়ার ডিভিশন লিগে ফের জয়ে ফিরল ইস্টবেঙ্গল । প্রথম তিন ম্যাচে জয়ের পর গত ম্যাচে কলকাতা কাস্টমসের বিরুদ্ধে ড্র করে পয়েন্ট নষ্ট করেন বিনো জর্জের ছেলেরা। শুক্রবার ফের চেনা ছন্দে দেখা গেল লাল-হলুদকে। ঘরের মাঠে পুলিশ এসিকে শুধু হারলই না, ছয় গোলের মালা পরালেন সায়ন, আমন, জেসিনরা। গ্যালারিতে বসে রিজার্ভ বেঞ্চের ফুটবলারদের দেখে পরখ করে নেন লাল-হলুদের হেডস্যার কার্লেস কুয়াদ্রাত।

দলবদলের বাজারে জিকসন সিংকে তুলে নিয়ে বড় চমক দিয়েছে ইস্টবেঙ্গল। বৃহস্পতিবার ভোরে তিনি কলকাতায় চলে আসেন। তখন থেকে তাঁর ইস্টবেঙ্গলে যোগ দেওয়া নিয়ে চর্চা শুরু হয়। অবশেষে সব ডাক্তারি পরীক্ষার পর শুক্রবার সকালে লাল-হলুদে সই করেন জাতীয় দলের মিডফিল্ডার। একই দিনে কলকাতা লিগের ম্যাচে পুলিশের মুখোমুখি হয় ইস্টবেঙ্গল। নিজেদের মাঠে উপস্থিত সমর্থকদের সামনে নতুন ফুটবলারকে প্রকাশ্যে আনা হয়। গুরু কুয়াদ্রাতের সঙ্গে তিনি নতুন ক্লাবের মাঠে নামেন। দর্শকেরা জয়ধ্বনি দিয়ে তাঁকে নতুন ঘরে বরণ করে নেয়।

মাঠের মধ্যে উজ্জীবিত ফুটবল উপহার দিল ইস্টবেঙ্গল দল। পুলিশ এসির বিরুদ্ধে গোটা ম্যাচে আধিপত্য বজায় রাখে। মাঝমাঠেরও নিয়ন্ত্রণ ছিল বিনো জর্জের ছেলেদের দখলে। ম্যাচের প্রথমার্ধে দুটি ও দ্বিতীয়ার্ধে চার গোল করে লাল হলুদ শিবির। খেলার ১৬ মিনিটের মাথায় গোলের খাতা খোলেন সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়। পিভি বিষ্ণুর সঙ্গে পাস খেলে বাঁ প্রান্ত ধরে আক্রমণে ওঠেন তিনি। তারপর বক্সের মধ্যে থেকে পাস বাড়িয়েছিলেন বিপক্ষের গোলের সামনে। সেই বল পুলিশ দলের গোলরক্ষকরে গ্লাভসের ফাঁক দিয়ে জালে জড়িয়ে যায়। এগিয়ে যায় ইস্টবেঙ্গল। বিরতির ঠিক আগে দলের হয়ে ব্যবধান বাড়ান বিষ্ণু। তন্ময়ের পাস ধরে ঠান্ডা মাথায় গোল করেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ Optical Illusion: দৃষ্টিশক্তি গোয়েন্দাদের মত হলে ছবি দুটি থেকে ৩৫ সেকেন্ডে ৩ টি পার্থক্য খুঁজে ধাঁধার সমাধান করে দেখান

দ্বিতীয়ার্ধের ৬৪ মিনিটে ব্যবধান ৩-০ করেন পরিবর্ত হিসাবে মাঠে নামা শ্যামল বেসরা। বক্সের মধ্যে জেসিন টিকের পাস ধরে প্রায় ফাঁকা গোলে বল ঠেলে দেন তিনি। ৬৭ মিনিটে ব্যবধান আরও বাড়ায় লাল-হলুদ ব্রিগেড। ডান দিক থেকে আসা সেন্টারে পা ঠেকিয়ে ব্যবধান ৪-০ করেন জেসিন টিকে। ৭২ মিনিটে ফের গোল করেন তিনি। এবার বাঁদিক থেকে আক্রমণে উঠে জেসিনকে বল সাজিয়ে দেন সায়ন। প্রায় ফাঁকা গোলে বল ঠেলে ব্যবধান ৫-০ করেন জেসিন। ষষ্ঠ গোলের বলটিও সাজিয়ে দিয়েছিলেন ইস্টবেঙ্গলের নয়নের মণি সায়নই। আর পুলিশের কফিনে শেষ পেরেক মারার কাজটি করেন আমন।

About Post Author