Home » ইনভেসিভ ভেন্টিলেশনে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী, চিকিৎসা নিয়ে আলোচনায় নয় সদস্যের মেডিক্যাল বোর্ড

ইনভেসিভ ভেন্টিলেশনে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী, চিকিৎসা নিয়ে আলোচনায় নয় সদস্যের মেডিক্যাল বোর্ড

সময় কলকাতা ডেস্ক,৩০ জুলাইঃ গুরুতর অসুস্থ প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। শনিবার দুপুরে হঠাৎ করেই শ্বাসকষ্ট জনিত শারীরিক সমস্যা বেড়ে যাওয়ায় তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। এরপর রাতে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় নন-ইনভেসিভ ভেন্টিলেশন থেকে ইনভেসিভ ভেন্টিলেশনে নিয়ে যেতে হয়। বর্তমানে ইনভেসিভ ভেন্টিলেশনে রয়েছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। রাইলস টিউবে দেওয়া হচ্ছে তরল খাবার। হাসপাতাল সূত্রে খবর, চিকিৎসায় অল্প সাড়া দিচ্ছেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। আইসিইউ-তে থাকলেও বুদ্ধবাবুর ঘুমের ওষুধ বন্ধ করা হয়েছে। রক্তের কয়েকটি পরীক্ষাও পুনরায় করা হতে পারে বলে খবর।

ইতিমধ্যেই চিকিৎসক কৌশিক চক্রবর্তী, সৌতিক পাণ্ডার নেতৃত্বে নয় সদস্যের মেডিক্যাল বোর্ড তৈরি হয়েছে। বুদ্ধবাবুর ক্রিয়েটিনিন ২ থেকে কমে ১.৮৬ দাঁড়িয়েছে। এই মুহূর্তে স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছেন তিনি। তবে বিপদমুক্ত নন। রবিবার ফুসফুসের কতটা ক্ষতি হয়েছে তা বোঝার জন্য সিটি স্ক্যান করা হবে বলেই জানা গিয়েছে। কেননা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধবাবুর শরীরে ক্লেবশিয়েলা নামের মারণ ব্যাক্টেরিয়ার খোঁজ মিলেছে। যার কারণে ফুসফুসের দু’দিকেই আক্রমণ করেছে নিউমোনিয়া। প্রসঙ্গত,শনিবার বুদ্ধবাবুর শারীরিক অবস্থার খবর পেতেই বিকেল ৪টে ২০ মিনিটে কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতাল থেকে অ্যাম্বুলেন্স পাঠানো হয় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর পাম এভিনিউয়ের বাড়িতে। মেডিক্যাল অফিসার ও স্বাস্থ্যকর্মীরা অ্যাম্বুলেন্সে করে পাম এভিনেউয়ের বাড়ি থেকে তাঁকে নিয়ে আসেন ওই বেসরকারি হাসপাতালে।

আরও পড়ুন   গুরুতর অসুস্থ প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য

প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর রক্তে অক্সিজেন বিপজ্জনক মাত্রায় নেমে গিয়েছিল বলেই সূত্রের খবর। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে,২০১৮ সাল থেকে বাড়িতেই একটি পোর্টেবল অক্সিজেন সিলিন্ডারের মাধ্যমে ২৪ ঘণ্টা শ্বাসপ্রশ্বাস নেন তিনি। এই অবস্থায় বুধবার থেকে নিউমোনিয়া সংক্রণে আক্রান্ত হন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। সিওপিডির সমস্যাও রয়েছে বুদ্ধবাবুর। তাই বাড়িতেই চিকিৎসা চলছিল তাঁর। শনিবার তাঁর পাম অ্যাভিনিউয়ের বাড়িতে স্যালাইনের মাধ্যমে দেওয়া হচ্ছিল অ্যান্টিবায়োটিক। এরপর অক্সিজেন মাত্রা ৭০ এ নেমে যাওয়ায় তড়িঘড়ি তাঁকে হাসপাতালে ভর্তির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এদিন গ্রিন করিডর করে দ্রুত গতিতে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। কিন্তু রাস্তাতেই তাঁর শারীরিক অবস্থা আরও গুরুতর হয়ে যায়।

About Post Author