সময় কলকাতা ডেস্ক, ১ বৈশাখ, ১৪৩৩: প্রাচীন প্রবাদ -ঈশ্বর সব সময় আমাদের কাছে আসতে পারেন না, তাই তিনি চিকিৎসকদের আমাদের জন্য পাঠিয়েছেন। চিকিৎসা বিদ্যার জনক হিপোক্রিটিস বলেছিলেন, যেখানে চিকিৎসাবিদ্যা সমাদৃত সেখানেই মানবপ্রেম রয়েছে। বলাবাহুল্য, চিকিৎসা একটি মহান পেশা যার মাধ্যমে চিকিৎসকরা মানুষের নিবিড় হয়ে ওঠেন এবং রাজনীতিতে তাঁদের পদার্পণ মানবসেবার দরজা খুলে দেয়। চিকিৎসক দ্রুত মানুষের জীবনের সুখ-দুঃখের নিত্য সঙ্গী হয়ে ওঠেন। তাঁরা মানব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে অসামান্য ভাবে মানুষের কাছে তুলে ধরতে পারেন। এরকম নজির ইতিহাসে বিরল নয়। দীর্ঘ সমুদ্রযাত্রার মধ্যে নিজেকে সমৃদ্ধ করেছিলেন, নিজেকে খুঁজে পেয়েছিলেন আধুনিক দন্ত চিকিৎসার জনক পিঁয়ারে ফসার, অতঃপর সেই জ্ঞান তিনি মানব কল্যাণে ব্যবহার করেছিলেন। চিকিৎসক চাইলে সাধারণ মানুষকে সমৃদ্ধ করতে পারেন রাজনৈতিক পরিমণ্ডলের মধ্যে থেকে সাংস্কৃতিকবৃত্তে । বঙ্গের স্বনামধন্য চিকিৎসক সুমিত সাহা তাঁর চিকিৎসা জীবনের ব্যস্ততম সময়ের মধ্যেও রাজনৈতিক কর্মকান্ডে জড়িয়ে থেকে পৌঁছেছেন মানুষের সংস্কৃতির শিকড়ে। কলকাতা লাগোয়া উত্তর ২৪ পরগনায় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মধ্যে জড়িয়ে থাকলেও বঙ্গ সংস্কৃতি ও বাঙালি অস্মিতা তাঁর মধ্যে প্রবল যার আরও একবার প্রমাণ মিলল ১৪৩৩ বঙ্গাব্দের শুভ সূচনা লগ্নে চিকিৎসকের স্বাগতিক নববর্ষ উদযাপনে।

চিকিৎসক সুমিত সাহা তাঁর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিচরণক্ষেত্র নিজের বাসভূমি বারাসাতে ছড়িয়ে দিলেন নববর্ষ ঘিরে বাঙালির আবহমান কাল ধরে চলে আসা আবেগ। বাংলার যে ঐতিহ্য নববর্ষের -যা ছুঁয়ে থাকে বাংলা পঞ্জিকা ও ক্যালেন্ডারে, বৈশাখের নব পদার্পণে তাকে ছড়িয়ে দিলেন বাতাসে। মানুষের হাতে তুলে দিলেন বাংলা নতুন বছরের রোজনামচা, ভালোবাসা আর শ্রদ্ধার বিনিময়ে সংস্কৃতির সৌরভ মিশে গেল ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের গ্রীষ্মের বাতাসে । নতুন বছরে রাজনৈতিক ও সংস্কৃতিক মেলবন্ধনে চিকিৎসক সুমিত সাহা আত্মপ্রত্যয়ী কন্ঠে জানালেন, বাঙালি বাংলার আত্মমর্যাদা ধরে রাখবে বঙ্গ সংস্কৃতি দিয়ে। বাংলার মানুষ বাংলার আবহমান কাল ধরে বয়ে আসা ঐতিহ্য ধরে রাখবে, কোনও আঙ্গিকে বাংলা পাল্টাবে না, পাল্টাতে পারে না – বার্তা সুমিত সাহার।।


More Stories
বাংলা নববর্ষের ইতিহাস
রাহুল কি মমতাকে ভয় পাচ্ছেন?
মধ্যমগ্রামে রথীন ঘোষ ম্যাজিক কি অব্যাহত?