সময় কলকাতা ডেস্ক:- জন্মান্ধ হয়েও জলের নীচে সমস্ত কিছু স্পষ্ট দেখতে পান ভুল্লু ! আশ্চর্য লাগলেও এটাই সত্যি৷ বিহারের সমস্তিপুরের বাসিন্দা ভুল্লু সাহনির পরিচিতি ‘ওয়াটার ওয়ারিয়র’ হিসেবে।
পাটোরি ব্লকের ডুমডুমা গ্রামের বাসিন্দা ভুল্লু সাহনি ৷ এক নামে তাকে গোটা বিহার চেনে। জন্ম থেকে অন্ধ হওয়া সত্ত্বেও, জলের তলায় স্পষ্ট দেখতে পাওয়ার অনন্য ক্ষমতা তাঁকে বিশেষ এক জন করে তুলেছে। জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত তিনি ১৪ জনকে ডুবে যাওয়ার হাত থেকে বাঁচিয়েছেন৷ নদী ও পুকুর থেকে ১৩ জনের মৃতদেহ তুলে এনেছেন।
এক সাক্ষাৎকারে ভুল্লু সাহনি জানায়, “আমি এমনিতে দেখতে পাই না৷ কিন্তু জলে ডুব দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমি সবকিছু দেখতে পাই। আমার চোখ জ্বলতে থাকে।
তিনি আরও জানিয়েছেন, “বায়া নামে একটি নদী আছে, সেখান থেকে অনেকজনকে উদ্ধার করেছি আমি”।
এমনিতে নিজের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা ব্যক্তিকেও দেখতে পান না ভুল্লু। কিন্তু জলের ভিতরে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই সবকিছু স্পষ্ট দেখতে শুরু করেন। এই অনন্য দৃষ্টির কারণে তিনি নদী ও পুকুরে ডুবে যাওয়া মানুষদের বাঁচান। এছাড়াও, যদি কেউ জলে ডুবে মারা যান, তাঁর দেহ জলের তলা থেকে খুঁজে আনতে পারেন তিনি। কিন্তু কীভাবে, তা সম্ভব? চক্ষু বিশেষজ্ঞদের মতে, এমনটা সম্ভব ৷ কারণ বাতাস ও জলের আপেক্ষিক সূচক আলাদা।
সম্প্রতি, মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার এই বিশেষ ক্ষমতার জন্য ভুল্লুকে একটি প্রশংসাপত্র দিয়ে সম্মানিত করেছেন। বিহার সরকারের পক্ষে একটি প্রশংসাপত্র এবং ১০ হাজার টাকা নগদ পুরস্কার দিয়ে সম্মানিত করা হয় তাঁকে। মুখ্যমন্ত্রীর থেকে সম্মান পাওয়ার পরেও ভুল্লু দুঃখিত। কারণ, তিনি সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন না। মেলেনি গৃহায়ন ও প্রতিবন্ধী ভাতা।


More Stories
মোদি ও বিজেপিকে খোঁচা : আগাম জামিন পেলেন নিয়ে নেহা সিং রাঠোর
রাজ্যসভায় নীতিশ, বিহারের মুখ্যমন্ত্রী কে এবার?
যোনিমুখে বীর্য নিক্ষেপই ধর্ষণের মাপকাঠি নয়, জানাল আদালত