সময় কলকাতা ডেস্ক:- পাক গুপ্তচর মামলার তদন্তে নেমে দেশের ৮ রাজ্যে হানা দেয় কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনআইএ। কলকাতাতেও অভিযান চলে। সেই ঘটনায় সোমবার নিউটাউনে এনআইএ দপ্তরে হাজিরা দিলেন মোমিনপুরের এক ব্যবসায়ী মাসুদ আলম। মাসুদের আর্থিক লেনদেন তদন্তকারীদের স্ক্যানারে। অ্যাকাউন্টে সন্দেহজনক লেনদেন হয়েছে বলে খবর।
গোয়েন্দারা সন্দেহ করছেন, ২০২৪ সালের ৩ এপ্রিল মাসুদ আলমের এজেন্সি থেকে তিনটি লেনদেন হয়েছিল, যা সন্দেহজনক। এই আবহে এজেন্সির মালিক মাসুদ আলমকে জেরার জন্য আজ তলব করে এনআইএ। সকাল সাড়ে ১১ টা নাগাদ এনআইএ অফিসে ঢোকেন তিনি। তার আগে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে মাসুদ বলেন, ‘সব বলে দেব। এসে সব বলব।’
এর আগে পাকিস্তানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তি করার অভিযোগে এক সিআরপিএফ জওয়ানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তাঁর সঙ্গে যোগ থাকার সূত্র ধরেই কলকাতায় তল্লাশি চলে বলে খবর। কলকাতার আলিপুরের একটি দোকান, মোমিনপুরের একটি ট্রাভেল এজেন্সি এবং তপসিয়ায় একটি হোটেলে হানা দেন এনআইএ।
ইউটিউবার জ্যোতি মালহোত্রার গ্রেপ্তারির পর পাকিস্তানের চরবৃত্তি নিয়ে একাধিক মামলা সামনে আসছে। টেরর ফান্ডিংয়ের বিষয়টিও গোয়েন্দাদের নজরে। স্ক্যানারে বিভিন্ন ট্রাভেল এজেন্সিও।
এরই মধ্যে ৩১ মে জাতীয় তদন্ত সংস্থা এনআইএ ৮ টি রাজ্যে তল্লাশি চালায়। দিল্লি, হরিয়ানা, পশ্চিমবঙ্গ, উত্তরপ্রদেশ, ছত্তীসগড়, মহারাষ্ট্র, রাজস্থান এবং অসমের ১৫টি জায়গায় অভিযান চালানো হয় বলে সূত্রের খবর। কলকাতার তিন জায়গাতেও চলে তল্লাশি অভিযান।


More Stories
বিক্ষোভ দেখাতে গিয়ে গ্রেফতার অসিত মজুমদার
অভিষেক নিগ্রহ পর্ব : আদতে হয়েছিল কী? বিভিন্ন রাজনৈতিক মহল, নেতা-নেত্রীরা কী বলছেন!
সোনারপুরে অভিষেককে মারধর, মেরে জামা ছিঁড়ে দেওয়া হল অভিষেকের