Home » ‘পহেলগাঁও হামলার ৩ জঙ্গিই পাকিস্তানি’, দু’মাস পর দাবি এনআইএ-এর

‘পহেলগাঁও হামলার ৩ জঙ্গিই পাকিস্তানি’, দু’মাস পর দাবি এনআইএ-এর

সময় কলকাতা ডেস্ক:- পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার ঘটনায় জড়িত ৩ জঙ্গিই পাকিস্তানের নাগরিক। স্থানীয় কোনও সন্ত্রাসবাসী এই হামলার সঙ্গে জড়িত নন। হামলার ২ মাস পর ঘটনার তদন্তে নেমে এমনই দাবি করল এনআইএ। সম্প্রতি এই মামলায় ২ কাশ্মীরি যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদের পরই এই বিষয়ে নিশ্চিত হয়েছেন তদন্তকারীরা। অন্যদিকে, ২২ এপ্রিলের ক্ষত সারিয়ে আবারও ভিড় জমতে শুরু করেছে পহেলগাঁওয়ে। সোমবার পর্যটকদের আগমনের সেই ছবি প্রকাশ্যে এনেছেন জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা।

নতুন করে ছন্দে ফিরতে শুরু করেছে উপত্যকা। এদিন উপত্যকায় পর্যটকদের ভিড়ের ছবি এক্স হ্যান্ডেলে শেয়ার করেন মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা। তিনি লেখেন, ‘শেষবার যখন পহেলগাঁও গিয়েছিলাম তখন এমন একটি বাজারের সামনে থেকে সাইকেল চালিয়েছিলাম যা ছিল নির্জন এলাকা। আজ আবার পুরনো পহেলগাঁও ফিরে এসেছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ এসে এখানকার আবহাওয়া উপভোগ করছেন। আমি ও আমার সহকর্মীদের প্রচেষ্টা ধীরে ধীরে কাজে আসছে। এই ছবি দেখে সন্তুষ্ট।’

এদিকে এনআইএ’র তরফে জানানো হয়েছে, ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওয়ের বৈসারণ ভ্যালিতে সেনার পোশাকে হামলা চালিয়েছিল তিন জঙ্গি। ধর্ম জিজ্ঞাসাকে ২৫ পর্যটককে হত্যা করে তারা। মৃত্যু হয় এক স্থানীয় নাগরিকের। এই হামলার তদন্তে নেমে সম্প্রতি পারভেজ আহমেদ জোথার এবং বশির আহমেদ জোথার নামে দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে এনআইএ। জানা গিয়েছে, হামলাকারী ৩ লস্কর জঙ্গি এদের বাড়িতেই আশ্রয় নেয়। ওই দুই স্থানীয় যুবকও লস্কর সদস্য। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করেই জানা গিয়েছে, হামলার পর পুলিশের তরফে যে তিন জঙ্গি হামিস মুসা, আলি ভাট ওরফে তালহা এবং আদিল হোসেনের ছবি প্রকাশ করা হয়। এদের মধ্যে একজন ছিল স্থানীয় নাগরিক। তবে সেই ভুল শুধরে নিয়ে এনআইএ’র দাবি, তৃতীয় হামলাকারীও পাকিস্তানের। তার নাম সুলেমান শাহ।

তদন্তকারীদের আরও দাবি, গত বছরের ২০ অক্টোবর শ্রীনগর-সোনমার্গ হাইওয়ের টানেলে যে জঙ্গি হামলার ঘটনা ঘটেছিল সেই হামলার নেতৃত্বে ছিল এই সুলেমা। গত ৪ ডিসেম্বর জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে নিহত হয় জুনেইদ রমজান ভাট নামে সুলেমানের এক সহযোগী। ধৃত দুই কাশ্মীরি তরুণের ফোন থেকে পুলিশ সন্দেহভাজন বেশ কয়েকজন জঙ্গির ছবি উদ্ধার করেছে। হামলাকারীরা এখনও কাশ্মীরে গা ঢাকা দিয়ে আছে, নাকি পাকিস্তানে ফিরে গিয়েছে তা জানার চেষ্টা চালাচ্ছেন তদন্তকারীরা।

About Post Author