ডুরান্ড কাপ ফাইনালে আজ বাংলার মুখ ডায়মন্ড হারবার। ফাইনালে উঠে বাংলার আশা জিইয়ে রেখেছে ডায়মন্ড হারবার। কলকাতা ফুটবলের চতুর্থ শক্তি হিসাবে উদয় হচ্ছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্লাবের। মোহনবাগান , ইস্টবেঙ্গল মহমেডান, আগেই বিদায় নিয়েছে। কলকাতার তিন প্রধানের এক প্রধানও ফাইনালে নেই।
গ্যালারি ভরাতে নয়া উদ্যোগ ডায়মন্ড হারবারের। নিজেদের ক্লাবের জন্য ২৫ হাজার টিকিট তুলেছে ডায়মন্ড হারবার ক্লাব। এরপর রাজ্য ক্রীড়া দফতরের কাছেও টিকিট রয়েছে। ডায়মন্ড হারবার ডুরান্ড ফাইনালে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে অনেকের ধারণা হয়েছিল, ডুরান্ড ফাইনালে হয়ত ফাঁকা গ্যালারি থাকবে।
ডুরান্ড ফাইনালে কাপ জয়ের ম্যাচে তিন প্রধানকেই আমন্ত্রণ জানাচ্ছে ডায়মন্ড হারবার। ডায়মন্ড হারবার দলটা নিয়ে প্রবল উৎসাহী অভিষেক বন্দ্যেপাধ্যায়। ক্লাবের কর্তা আকাশ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, আমরা তিন ক্লাবকে এবং তাদের সমর্থকদের ফাইনাল ম্যাচে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। আশা করছি প্রত্যেকের সমর্থন পাবো। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যস্ত সূচি আছে তিনি সময় পেলে অবশ্যই মাঠে আসবেন।
দলের অন্যতম শীর্ষকর্তা মানস ভট্টাচার্য বলেছেন, ‘মোহনবাগান সুপার জায়ান্টের বিরুদ্ধে পাঁচ গোলে হেরেছিলাম আমরা। তখন দলের অনেকের মনোবল তলানিতে ঠেকেছিল। দলের প্রেসিডেন্ট অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সেই ম্যাচের পর ফুটবলারদের জন্য একটি নৈশভোজের আয়োজন করেছিলেন। সেই নৈশভোজের আসরে অনেক কর্মকর্তারাও ছিলেন। সেদিন তিনি বলেছিলেন, আমরা নতুন দল। একটা ম্য়াচে হারার পর মনোবল হারালে চলবে না। তাঁর সেই পেপ-টক দলের সবাইকে উজ্জীবিত করেছিল।’
তাই আশা করা যাচ্ছে, তাদের সমর্থনের জন্য শনিবারের যুবভারতীর গ্যালারিও ভর্তি থাকবে। মাত্র চার বছরের মধ্যে আই লিগের মূলপর্বে ওঠার সঙ্গে ডুরান্ডের ফাইনালে ডায়মন্ড হারবারের খেলাকেও বেশ কৃতিত্বেরই মনে করছে ফুটবল মহল। ডুরান্ড কাপ জিতলে ময়দানে আধিপত্য বৃদ্ধি পাবে অভিষেকের ক্লাবের।


More Stories
ইউনিটি কাপ থেকে শূন্য হাতে ফিরছে ভারত
লালহলুদের ইলিশ উৎসব ধূপগুড়িতে
আকিব নবীর হয়ে সরব বেঙ্গসরকার, তাঁর দাবি ঘরোয়া ক্রিকেট বন্ধ করে দেওয়া হোক