সময় কলকাতা ডেস্ক, ২৬ মে : নদীয়ার কল্যানীতে শুরু হয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক বৈঠক। নদীয়া, উত্তর চব্বিশ পরগনা ও হুগলি জেলাকে নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর এই প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দেওয়ার সময় কাকলি ঘোষ দস্তিদার বলেছেন, “প্রশাসনিক বৈঠক কোন দলের নয়। প্রশাসনিক বৈঠক সবার। ” তথাপি প্রশ্ন উঠছেই। ভোটের ফল প্রকাশের পরেই দেখা গিয়েছে বেসুরো গাইছেন বারাসাতের তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। তিনি “আনুগত্যের পুরস্কার” মন্তব্য সহ বিক্ষুব্ধ বক্তব্য রেখেছেন তাঁকে সংসদে মুখ্য সচেতকের ভূমিকা থেকে অপসারণ নিয়ে এবং জেলা সভাপতির পদ ছেড়েছেন। নাম না করে আইপ্যাককে আক্রমণ করেছেন যাকে পরোক্ষে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ বলে মনে করেছে রাজনৈতিক মহল। এবার শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিয়ে তিনি এই বৈঠকে যোগদান অভিনব কিছু নয় বলেছেন। তথাপি প্রশাসনিক বৈঠকে কাকলি ঘোষ দস্তিদারের উপস্থিতি ইঙ্গিতপূর্ণ। পাশাপাশি, ইঙ্গিতপূর্ণ তার সঙ্গে দেগঙ্গা ও স্বরূপ নগরের তৃণমূল বিধায়কদের উপস্থিতি। সরুপনগরের বিধায়ক বীনা মন্ডলের প্রশাসনিক বৈঠকে উপস্থিতি যত না রাজনৈতিক মহলে শোরগোল ফেলেছে, তার চেয়েও বেশি শোরগোল ফেলেছে দেগঙ্গার বিধায়ক আনিসুর রহমানের উপস্থিতি।।
শুভেন্দুর প্রশাসনিক বৈঠকে কাকলি ঘোষ দস্তিদার, সঙ্গে বিদেশ -বীনা, কী বললেন সাংসদ ?
Oplus_131072


More Stories
শিলিগুড়ির বিশ্ববাংলা লোগো ভাঙা পড়ল
পুলিশের জালে পলাতক ও অপসারিত বিডিও প্রশান্ত বর্মন
জেলায় জেলায় অনুপ্রবেশকারীদের ও সন্দেহভাজনদের আটক করে রাখা হচ্ছে হোল্ডিং সেন্টারে