Home » “বাড়ি তালা দেওয়া যায়, হৃদয়ে তালা দেওয়া যায় না”- মমতার মাস্টারস্ট্রোক

“বাড়ি তালা দেওয়া যায়, হৃদয়ে তালা দেওয়া যায় না”- মমতার মাস্টারস্ট্রোক

Oplus_131072

পুরন্দর চক্রবর্তী, সময় কলকাতা, ৪ জুলাই :”বাড়ি তালা দেওয়া যায়, হৃদয়ে তালা দেওয়া যায় না”-কলকাতার মেট্রোপলিটন বিল্ডিংয়ের তৃণমূল কার্যালয়টি বিদ্রোহীদের দখল নিয়ে আবেগঘন অথচ করা প্রতিক্রিয়ার মধ্যেই  মমতার মাস্টারস্ট্রোক ।  এখন থেকে দলের অধিকাংশ দায়িত্ব সামলাবেন স্বয়ং মমতা , দলের মূল দায়িত্বভারের অধিকাংশই নিজের কাঁধে তুলে নিলেন তিনি । পাশাপাশি নতুন দায়িত্ব মদন মিত্র ও কুণাল ঘোষকে।

” বাড়ি তালা দেওয়া যায় কিন্তু মানুষের হৃদয়ে তালা দেওয়া যায় না। ” বললেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ” ২০২৭ সালের অক্টোবর পর্যন্ত ভাড়া নেওয়া ছিল পার্টি অফিস। পার্টি অথরাইজ করায় একজন ব্যক্তি তাতে সই করেছিল । ব্যক্তি চলে যায় কিন্তু ইনস্টিটিউশন চলে যায় না।এটা ইনস্টিটিউশনের সম্পত্তি। মা মাটি মানুষের সম্পত্তি “-কলকাতার মেট্রোপলিটন বিল্ডিংয়ের তৃণমূল কার্যালয়টি বিদ্রোহীদের দখল করা এবং সেখানে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া নিয়ে আজ এক ফেসবুক লাইভ অধিবেশনে কড়া প্রতিক্রিয়া দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে ও নথিপত্র দেখিয়ে স্পষ্ট বলেন, “আমাদের আগের পার্টি অফিসটা ভেঙে পড়ছিল, তাই মেট্রোপলিটনের এই বাড়িটা আমরা ভাড়া নিই। আমরা মাসে মাসে চেকে ১ লাখ টাকা ভাড়া দিই। তাহলে কেন ওখানে তালা দিয়ে আসা হলো?” মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান যে আইনি চুক্তি মেনেই তাঁরা নিয়মিত ১ লক্ষ টাকা ভাড়া চেকে পরিশোধ করেন। ফলে সেখানে জোরপূর্বক তালা দেওয়া সম্পূর্ণ অন্যায়। এই সংকটের মাঝেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আজ বড় মাস্টারস্ট্রোক দিয়ে নিজেই পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতির দায়িত্বভার নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছেন।পাশাপাশি,বিদ্রোহীদের দমন করতে এবং নিজের হাত শক্ত করতে তিনি দলের বিশ্বস্ত মুখ কুণাল ঘোষ ও মদন মিত্রকে রাজ্য কমিটির জেনারেল সেক্রেটারি বা সাধারণ সম্পাদকের বড় দায়িত্ব দিয়েছেন।।

আরও পড়ুন কেন চন্দ্রিমার পদত্যাগ, “আনুগত্য প্রশ্নের মুখে” নাকি অন্য কোনও সমীকরণ?

মমতার মাস্টারস্ট্রোক  #মমতাবন্দ্যোপাধ্যায়

About Post Author