সময় কলকাতা ডেস্ক: ভিড় সামলাতে ব্যর্থ হয়ে পড়েছিল উদ্যোক্তারা। কেকে-র মৃত্যুর পর দায় স্বীকার করে নিলেন কলকাতা পুরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিম। পাশাপাশি হাসপাতাল ইস্যুতে মুখ খুললেন তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র। বিশিষ্ট সঙ্গীতশিল্পীর আকষ্মিক প্রয়াণে ওঠা প্রতিটি অভিযোগ স্বীকার করে নিলেন কলকাতা পুরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিম। প্রিয় শহর কলকাতাতে গান গাইতে এসেই না ফেরার দেশে চলে গেলেন বিশিষ্ট সঙ্গীতশিল্পী কেকে।
মঙ্গলবার কলকাতার নজরুল মঞ্চে কনসার্ট ছিল কেকে-র। কলকাতার গুরুদাস মহাবিদ্যালয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে কলকাতায় এসেছিলেন তিনি। কনসার্ট চলাকালীনই অসুস্থ হয়ে পড়েন কেকে। হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। মানুষটা চলে গেলেও তাঁর মৃত্যু নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে অনেক। প্রেক্ষাগৃহে বেলাগাম ভিড় সামলাতে উদ্যোক্তাদের ব্যর্থতাই দায়ী বলে সরব হয়েছিলেন অনেকেই। ২ হাজার আসনের বদলে ৭ হাজারের বেশি লোক ঢুকল কিভাবে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল। সব অভিযোগগুলিই যেন স্বীকার করে নিলেন কলকাতা পুরসভার মেয়র।
প্রেক্ষাগৃহে এসির কার্যকারিতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল। তবে, মেয়রের মতে, এসি ভালোই ছিল, কিন্তু, বারবার দরজা খুললে তো অসুবিধে হবেই। কনসার্টে বেশ কয়েকটি গান গাওয়ার পরই অসুস্থ বোধ করেন কেকে। সূত্রের খবর, অনুষ্ঠানের সময় স্পট লাইট অফ করতে বলেছিলেন গায়ক। অনুষ্ঠান-বিরতিতে ব্যাক স্টেজে বিশ্রামও নেন তিনি। সেখান থেকে হোটেলে ফিরে যান তিনি। তারপর তাঁকে সিএমআর আই হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। কিন্তু, প্রশ্ন এটাও উঠেছিল, আশেপাশে বেশ কয়েকটি হাসপাতাল থাকা সত্ত্বেও কেন সিএমআর আই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হল? উঠেছিল গাফিলতির প্রশ্নও, জানিয়েছেন তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র।
কেকে-র মৃত্যুর পরেই কেএমডিএ-র তরফ থেকে ওই কলেজের অনুষ্ঠান বন্ধ করার জন্য প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাজ্যের পরিবহণ মন্ত্রী।নজরুল মঞ্চের ভিড় সামলানোর ক্ষমতা থাকলেও প্রয়োজনের অতিরিক্ত ভিড়ই যে পরিস্থিতি বিগড়ে যাওয়ার জন্য দায়ী, তা স্বীকার করেন কলকাতা পুরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিম।


More Stories
মোথাবাড়ি কাণ্ডের অশান্তির নেপথ্য “খলনায়ক” মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার কিসের ইঙ্গিত?
আরেক অভিনেতা প্রণবের অকালপ্রয়াণ
মার্চেই বকেয়া ডিএ দেওয়ার উদ্যোগ : এসওপি জারি