সময় কলকাতা ডেস্কঃ রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর দাবি মেনেই শেষ পর্যন্ত তৈরি হচ্ছে রাজ্য নিরাপত্তা কমিশন। নবান্নের সম্মতিতে রাজ্য নিরাপত্তা কমিশনের পুনর্গঠন করলেন রাজ্যপাল লা গণেশন। আর এই কমিশনের চেয়ারম্যান অবশ্যই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । তাঁর পরেই দ্বিতীয় সদস্য হিসাবে থাকবেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ছাড়া রাজ্যের নিরাপত্তা কমিশনের বাকি সদস্যরা হলেন, মুখ্য সচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী, রাজ্য পুলিশের ডিজি, অবসরপ্রাপ্ত প্রাক্তন বিচারপতি অসীম রায়, রাজ্য মহিলা কমিশনের সভানেত্রী লীনা গঙ্গোপাধ্যায়, শিশু সুরক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান অনন্যা চক্রবর্তী, এসএসকেএম হাসপাতালের ডিরেক্টর মৃণ্ময় বন্দ্যোপাধ্যায় ও নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ি।
এই কমিশন দীর্ঘদিন ধরেই ছিল না রাজ্যে। অভিযোগ, বাম জমানাতেই এই কমিশনকে ভোঁতা করা হয়েছিল। তার জন্য বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের সরকারকে ভর্ৎসনাও করেছিল সুপ্রিম কোর্ট। কিন্তু গত বিধানসভা ভোটের পর ফের এই দাবিতে সরব হয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। গত বছরের জুন মাসে রাজ্যের প্রাক্তন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের সঙ্গে দেখা করে এই দাবি পেশ করেছিলেন শুভেন্দু।
আজ থেকে ১৬ বছর আগে রাজ্যে নিরাপত্তা কমিশন গঠন নিয়ে এক ঐতিহাসিক রায় দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। সেই রায়ে বলা হয়েছিল, সমস্ত রাজ্যকে নিরাপত্তা কমিশন গঠন করতে হবে। এই কমিশন রাজ্যে পুলিশি কার্যকলাপের উপর নজর রাখবে। এমন ভাবে এই কমিশন গঠন করতে হবে যাতে রাজ্য সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরেঅ একটি স্বাধীন কমিটি হিসাবে অস্তিত্ব থাকে।

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে ২৭টি রাজ্য ইতিমধ্যেই রাজ্য নিরাপত্তা কমিশন গঠন করেছে। ওড়িশা এবং জম্মু কাশ্মীর এই কমিশন গঠন করেনি। আর পশ্চিমবঙ্গে যে নিরাপত্তা কমিশন গঠন করা হয়েছিল তাতে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশকে মানা হয়নি। তাই ২০১০ সালে সুপ্রিম কোর্ট রাজ্যের তৎকালীন বামফ্রন্ট সরকারকে ভর্ৎসনা করেছিল। তবে এবার নবান্ন সর্বোচ্চ আদালতের রায়কে সম্মান জানিয়েছে।


More Stories
মোথাবাড়ি কাণ্ডের অশান্তির নেপথ্য “খলনায়ক” মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার কিসের ইঙ্গিত?
আরেক অভিনেতা প্রণবের অকালপ্রয়াণ
মার্চেই বকেয়া ডিএ দেওয়ার উদ্যোগ : এসওপি জারি