সময় কলকাতা ডেস্ক,১৫জানুয়ারিঃ ক্রমশ ডুবে যাচ্ছে উত্তরাখণ্ডের যোশীমঠ। আতঙ্ক ক্রমশ বেড়েই চলেছে। যোশীমঠে কান পাতলেই শোনা যাবে বহু মানুষের আর্তনাদ। ভিটেমাটি ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হচ্ছেন বাসিন্দারা। যোশীমঠের বিপর্যয়ের মধ্যেই বদ্রীনাথ মন্দির ও তার আশপাশের এলাকায় শুরু হয়েছে তুষারপাত। বরফ পড়েছে চামোলি জেলার দিওয়াল ব্লক এলাকায়।

যোশীমঠের পরিস্থিতি ক্রমশ গুরুতর হয়ে উঠছে। শহরে শঙ্করাচার্য মঠেও অনেক জায়গায় ফাটল দেখা দিয়েছে, যার কারণে আরও বড় বিপর্যয়ের সিঁদুরে মেঘ দেখছে ধর্মনগরী। শঙ্করাচার্য মঠের লোকজনের মতে, গত ১৫ দিনে এই ফাটল বেড়েছে। ইতিমধ্যেই উত্তরাখণ্ড সরকারের তরফে যোশীমঠকে বসবাসের অযোগ্য বলে ঘোষণা করা হয়েছে। বিপর্যয় রুখতে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বৈঠকও করছে রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকার। যোশীমঠের বাসিন্দাদের যাতে শিকড় উপড়ে না যায়, তার জন্যই ইতিমধ্যেই একটি মডেল শহর গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে সেন্ট্রাল বিল্ডিং রিসার্চ ইন্সটিটিউট।
ইতিমধ্যেই উত্তরাখণ্ড সরকারের তরফে যোশীমঠকে বসবাসের অযোগ্য বলে ঘোষণা করা হয়েছে। বিপর্যয় রুখতে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বৈঠকও করছে রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকার। যোশীমঠের বাসিন্দাদের যাতে শিকড় উপড়ে না যায়, তার জন্যই ইতিমধ্যেই একটি মডেল শহর গঠনের প্রস্তাব দিল সেন্ট্রাল বিল্ডিং রিসার্চ ইন্সটিটিউট। যোশীমঠের ভাঙন রুখতে এই সংস্থার তরফে একটি বিপর্যয় প্রতিরোধক মডেল শহর তৈরির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। যোশীমঠের যে সমস্ত বাসিন্দারা বাড়িতে ফাটল ধরার কারণে ঘরছাড়া হয়েছেন, তারা এরফলে উপকৃত হবেন। একদিকে যেমন সেন্ট্রাল বিল্ডিং রিসার্চ ইন্সটিটিউটের তরফে মডেল শহর গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, তেমনই কাউন্সিল অব সায়েন্টিফিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিসার্চের তরফেও তিন-স্তরীয় অ্যাকশন প্ল্যানের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

এদিকে, ভূমিধস দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা করেছে জেলা প্রশাসন। তাদের বাড়িতে ফাটল দেখা দেওয়ায় মোট ৬৬টি পরিবার এখনও পর্যন্ত যোশীমঠ থেকে স্থানান্তরিত হয়েছে। আজ রবিবার স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলিকে নিরাপদ ত্রাণ শিবিরে থাকার ব্যবস্থা করেছে জেলা প্রশাসন


More Stories
কলকাতায় পেট্রোলের দাম লিটারে ৪ পয়সা কমল, ডিজেল বাড়ল ৯৪ পয়সা
পুলওয়ামা হামলার মাস্টারমাইন্ড হামজা বুরহান খ*তম , কে এই হামজা?
ককরোচ জনতা পার্টির এক্স হ্যান্ডেল নিষিদ্ধ!