সময় কলকাতা ডেস্ক, ২১ মে : ডিজিটাল প্লাটফর্মে ঝড় তোলা ও নিজেদের অলস গণতান্ত্রিক ধর্মনিরপেক্ষ, বিদ্রুপাত্মক রাজনৈতিক দল হিসেবে দাবি করা জাতীয় ককরোচ জনতা পার্টির এক্স হ্যান্ডেল নিষিদ্ধ! ভারতে প্রচারিত এক্স প্যান্ডেলে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না ককরোচ জনতা পার্টিকে। বুধবার রাত থেকে তাদের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না।
সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের বেকার, কর্মহীনদের ও সংবাদ মাধ্যম এবং আইনজীবীদের আরশোলা বলতেই ঝড় উঠেছিল। প্রধান বিচারপতির মন্তব্য ঘিরে ঝড় ওঠার মাঝেই ডিজিটাল প্লাটফর্মে ককরোচ জনতা পার্টি বা আরশোলা জনতা পার্টি নামে নতুন দল গড়ে আলোড়ন ফেলে দিয়েছিলেন অভিজিৎ ডিপকে। পাঁচ দিনের মধ্যে সদস্য সংখ্যা বেড়ে ১. ৩ মিলিয়ন হয়ে যায়।
সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত একটি মামলা চলাকালীন শুনানিতে কর্মহীন, বেকার ছেলেমেয়েদের ‘আরশোলা’, ‘পরজীবী’র সঙ্গে তুলনা করেন। কোথাও কিছু করতে না পারলে বেকাররা সাংবাদিকতা, সমাজকর্মী, আইনের মতো পেশাকে আঁকড়ে ধরেন বলে মন্তব্য করতে শোনা যায় সূর্যকান্তকে। পরের দিনই (১৬ মে )অভিজিৎ ডিপকে X-তে একটি গুগল ফর্ম পোস্ট করেন যেখানে “ককরোচ জনতা পার্টি”-তে যোগ দেওয়ার জন্য সাধারণ মানুষকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। এই সংগঠনকে অলসদের সংগঠন বলে প্রথমে বলা হলেও পাঁচ দফার ইস্তেহার প্রকাশ করা হয়। ইশতেহারে বলা হয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতিরা অবসরের পর রাজ্যসভায় যেতে পারবেন না। আসন না বাড়িয়েই সংসদে মহিলাদের ৫০ শতাংশ সংরক্ষণ দিতে হবে। দলবদল করা বিধায়ক-সাংসদরা অন্তত ২০ বছর নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। সিবিএসই -তে নম্বর পুনর্মূল্যায়নে ইচ্ছে মতো টাকা নেওয়া যাবে না। নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসে পরীক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানোর কথা বলা হয় ইশতেহারে। ইশতেহার প্রকাশের পরে সাধারণ জনমানসে ব্যঙ্গাত্মক ক্ষোভের সম্ভাব্য বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দ্রুত আরশোলা জনতা পার্টি বা ককরোচ জনতা পার্টির (cjp ) দ্রুত বাড়তে থাকে।।


More Stories
পুলওয়ামা হামলার মাস্টারমাইন্ড হামজা বুরহান খ*তম , কে এই হামজা?
অভিষেকের সঙ্গে যৌথ সম্পত্তি কোন সায়নী ঘোষের?
নিজের স্ত্রীকে আবার বিয়ে করছেন খগেশ্বর রায়