Home » ‘তথাগত রায় প্রাজ্ঞ রাজনীতিক’! বঙ্গ বিজেপির গোষ্ঠীকোন্দল প্রসঙ্গে তথাগতকে সমর্থন কাকলির

‘তথাগত রায় প্রাজ্ঞ রাজনীতিক’! বঙ্গ বিজেপির গোষ্ঠীকোন্দল প্রসঙ্গে তথাগতকে সমর্থন কাকলির

সময় কলকাতা ডেস্ক, ১১ নভেম্বর: দলের বর্তমান নেতৃত্বের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলে সরব হয়েছেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি তথাগত রায়। বঙ্গ বিজেপিতে যখন গোষ্ঠীকোন্দল তীব্র আকার নিয়েছে তখন তথাগতবাবু নিশানা করেছেন তাঁর দলের বঙ্গ নেতাদের। বঙ্গ বিজেপি নেতাদের অস্বস্তি বাড়িয়ে দলের রাজ্যন নেতাদের তীব্র আক্রমণ করে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছিলেন তিনি। বঙ্গ বিজেপির গোষ্ঠীকোন্দল প্রসঙ্গে তাঁর অভিযোগ, ‘লোকসভা ভোটে প্রচারের কোনও ইস্যু নেই। পদ নিয়েই ব্যিস্ত রয়েছেন দলের নেতারা’। এবার বারাসাতে এক কালিপুজোর উদ্বোধনে এসে এই প্রসঙ্গে মুখ খুললেন বারাসাতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। বঙ্গের বর্তমান অবস্থাকে সৃষ্টি ও স্থিতির সঙ্গে তুলনা করে নাম না করে বিরোধী রাজনৈতিক শক্তিকে বিনাশের চেষ্টাকারী বলে উল্লেখ করেন বারাসাতের সাংসদ।      

আরও পড়ুন  বিশ্বভারতীর প্রাক্তন উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীকে এখনই গ্রেফতার করা যাবেনা, নির্দেশ হাইকোর্টের

বিজেপির আত্মসমালোচনার পরিপ্রেক্ষিতে এদিন কাকলি ঘোষ দস্তিদার বলেন, ‘তথাগত রায় প্রাজ্ঞ রাজনীতিক। অনুপম হাজরা যাই বলুক না কেন, তিনি যে পরিণত নন তাও এদিন প্রকারান্তরে জানাতে ভোলেননি কাকলি ঘোষ দস্তিদার।’ প্রসঙ্গত, বঙ্গ বিজেপিতে যখন গোষ্ঠীকোন্দল তীব্র আকার নিয়েছে, তখন তথাগতবাবু দলের বঙ্গ নেতাদের নিশানা করে বলেন, ‘নির্বাচনের বাকি আর মাত্র ছ’মাস। কিন্তু প্রচারে তুলে আনার মতো একটি নির্দিষ্ট ইস্যুও বঙ্গ বিজেপির হাতে নেই। শুধু দলীয় পদ নিয়েই ব্যস্ত নেতারা। সংগঠন ধরে রাখতে দলের নীতি ও প্রচারের বিষয় থাকা দরকার। দলের কোনও মুখপত্র নেই। দলকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রচেষ্টা নেই। কে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক এবং মণ্ডলের দায়িত্ব পাবেন সেটা নিয়ে ব্যস্ত সবাই। ভাবনাচিন্তার জায়গাটা ব্রাত্য। হয়ে রয়েছে।পার্টির কার্যকর্তাদের চেষ্টা হচ্ছে মানুষের কাছে পৌঁছনো নয়, দলের একটা পদ ও দায়িত্ব কুক্ষিগত করা। মানুষের কাছে পৌঁছনোর বিষয়টা নিয়ে ভাবনাচিন্তাই করা হয়নি। ভাবনাচিন্তার জায়গাটা ব্রাত্য্ হয়ে রয়েছে।’

আরও পড়ুন  কলকাতার চাঁদনি চকে বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড, ঘটনাস্থলে দমকলের ২টি ইঞ্জিন  

এদিকে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা অনুপম হাজরার বক্তব্যও অস্বস্তিতে ফেলে দিয়েছে বঙ্গ–বিজেপির নেতাদের। বঙ্গ নেতাদের নিশানা করে বলেন অনুপম বলেন, ‘নেতৃত্বের দোষেই বাংলার বিজেপি ফুটো কলসি হয়ে গিয়েছে। হাজার জল ঢেলেও তা ভরা সম্ভব নয়। দলীয় কর্মীদের আবেগ, ভালবাসা কলসির ওই ফুটো দিয়ে বেরিয়ে যাচ্ছে। নেতৃত্বের খারাপ কাজের প্রতিবাদ করলেই শাস্তি মিলছে। অথচ বুথ স্তরের কর্মীরা দলকে জেতানোর জন্য বুক চিতিয়ে লড়াই করছেন। যোগ্য কর্মীরা গুরুত্ব পাচ্ছেন না। তাই দলের আজ এই হাল। লোকসভা নির্বাচনে পাঁচটি আসন জিততে কালঘাম ছুটবে বঙ্গ বিজেপির।

About Post Author