Home » আদমশুমারির সঙ্গেই দেশে জাতি গণনা, বড় ঘোষণা কেন্দ্রের, জাতিগণনার কথা জানালেন অশ্বিনী বৈষ্ণব

আদমশুমারির সঙ্গেই দেশে জাতি গণনা, বড় ঘোষণা কেন্দ্রের, জাতিগণনার কথা জানালেন অশ্বিনী বৈষ্ণব

সময় কলকাতা ডেস্ক:- সন্ত্রাসবাদি হামলা ও যুদ্ধের আশঙ্কার মধ্যেই খুব শিগগির জাতীয় জনগণনা শুরু হবে দেশজুড়ে। ওই সময় আদমশুমারির সঙ্গেই জাতি গণনাও হবে। বুধবার ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। তিনি জানান, কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা সর্বসম্মতিতে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। লাগাতার জাতি গণনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন বিরোধীরা। বিশেষত কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গাঁন্ধী বারবার এই দাবিতে সরব হয়েছেন। বিরোধীদের সেই দাবিকেই এবার মান্যতা দিল নরেন্দ্র মোদি সরকার।

বুধবার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার রাজনৈতিক কমিটি। তবে জাতগণনা সংক্রান্ত তথ্য আলাদা করে প্রকাশ করা হবে না। আগামী জনগণনার সঙ্গেই এই সংক্রান্ত তথ্য সংযোজিত হবে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর রাজনৈতিক কমিটির বৈঠক শেষে এমনটাই জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় রেল এবং তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। দীর্ঘদিন ধরেই জাতগণনার দাবিতে সরব ছিল বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। কোনও কোনও রাজ্যে আলাদা ভাবে জাত সমীক্ষাও হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বুধবার মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে অশ্বিনী বলেন, “রাজনৈতিক বিষয়ক মন্ত্রিসভা কমিটি আজ সিদ্ধান্ত নিয়েছে আগামী জনগণনার সঙ্গে জাতিগণনার তথ্যও যুক্ত করা উচিত।”

জাতগণনায় সম্মত হলেও এই নিয়ে অতীতের কংগ্রেস জমানাকে বিঁধতে ছাড়ল না প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সরকার। অশ্বিনীর দাবি, কংগ্রেস ক্ষমতায় থাকাকালীন সবসময় জাতিগণনায় আপত্তি জানিয়ে এসেছে। তিনি বলেন, “প্রয়াত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংহ ২০১০ সালে জানিয়েছিলেন, জাতগণনার বিষয়টি মন্ত্রিসভায় বিবেচনা হওয়া উচিত। সেই মতো এই বিষয়টি বিবেচনার জন্য কয়েক জন মন্ত্রীকে নিয়ে তারা একটি গোষ্ঠী তৈরি করেছিল। তখন বেশির ভাগ রাজনৈতিক দলই জাতগণনার পক্ষে ছিল। তার পরেও তৎকালীন কংগ্রেস সরকার জাতগণনার বদলে শুধু মাত্র একটি জাতি সমীক্ষার সিদ্ধান্ত নেয়।” অশ্বিনীর অভিযোগ, কংগ্রেস এবং বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’র অন্য দলগুলি জাতগণনাকে সবসময় রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করে এসেছে।

About Post Author