Home » বর্ষা আসতেই উত্তরবঙ্গের গ্রামে শুরু হয় ফাঁদ পেতে মাছ ধরা, তবে এবার মাছের বদলে উঠছে অজগর সাপ

বর্ষা আসতেই উত্তরবঙ্গের গ্রামে শুরু হয় ফাঁদ পেতে মাছ ধরা, তবে এবার মাছের বদলে উঠছে অজগর সাপ

সময় কলকাতা ডেস্ক:- তিন দিনের মাথায় দুইটি অজগর জলপাইগুড়িতে। ফের টেপাইতে আটকে অজগর ছানা। স্বেচ্ছাসেবীদের তৎপরতায় তিন দিনের ব্যবধানে দ্বিতীয় অজগর উদ্ধার।

জলপাইগুড়ি জেলার দুই নম্বর টাকিমারী পূর্ব পাড়ার বাসিন্দা খগেন্দ্র দাস প্রতিদিনের মতো জমির আলিতে মাছ ধরার ফাঁদ পেতেছেন। গ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় এই ধরনের মাছ ধরার ফাঁদকে টেপাই বলে। আজ সকালে খগেন্দ্র দাস মাছ সংগ্রহ করতে টেপাই টানতেই চক্ষু ছানাবড়া। টেপাইতে একটাও মাছ নেই।

সেখানে ঘাপটি মেরে বসে আছেন একটা বৃহত সাপ।তিন দিনের মধ্যে এটা দ্বিতীয় ঘটনা।গত সোমবার একি টেপাইতে একটা পাঁচ ফুট লম্বা অজগর ছানা উদ্ধার করেছিলো গ্রীন জলপাইগুড়ি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সদস্যরা। আজ আবারও একটা ছয় ফুটের অজগর ছানা টেপাইতে ঘাপটি মেরে বসে আছে।

সাপ উদ্ধার করার জন্য খগেন্দ্র বাবুর ছেলে নিপুর দাস যোগাযোগ করেন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সঙ্গে।খবর পেয়ে ছুটে যান গ্রীন জলপাইগুড়ি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সম্পাদক অংকুর দাস ও দপ্তর সম্পাদক স্বরুপ বসাক। উদ্ধার করেন প্রায় ছয় ফুট লম্বা একটি অজগর ছানা।

গ্রীন জলপাইগুড়ি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সম্পাদক অংকুর দাস জানান,টাকিমারী এলাকায় মাছ ধরার ফাঁদ থেকে একটি অজগর ছানা উদ্ধার করা হয়েছে।একি স্থানে,একি ভাবে তিন দিনের ব্যবধানে আজ দ্বিতীয় অজগর ছানা উদ্ধার করা হয়েছে।সাপটি সুস্থ আছে।আমরা সাপটিকে বন দফতরের হাতে তুলে দিবো। ইতিমধ্যে বন দফতরের আধিকারিকের সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে।

ঐ এলাকায় আরো অজগর সাপ আছে এবং প্রচুর সংখ্যক অজগর ছানা থাকার সম্ভাবনা আছে বলে আমরা আগেই সন্দেহ করেছিলাম এবং সেখানে নজরদারির জন্য বন দফতর কে অনুরোধ করেছিলাম। আমাদের ধারণা আজ সত্যি বলে প্রমাণিত হলো।আমাদের গ্রীন জলপাইগুড়ি-র পক্ষ থেকেও নজরদারি চলছে।

About Post Author