সময় কলকাতা ডেস্ক:- ‘সর্বক্ষণ আতঙ্কের মধ্যে ছিলাম।না খেতে পারছি, না ঘুমোতে পারছি।’ ইজরায়েল থেকে ফিরে ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার কথা শোনালেন এক ভারতীয়। কর্মসূত্রে ইজ়রায়েলের তেল আভিভে ছিলেন নদিয়ার বাসিন্দা কমল বিশ্বাস। মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ১২ মিনিটে কলকাতা বিমানবন্দরে এসে নামেন কমল। চোখেমুখে তখনও আতঙ্কের ছাপ। কলকাতায় পা দিয়ে কমল বললেন, ‘আমার টাকা চাই না, আমার প্রাণ চাই, পরিবার চাই।’
এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান এআই ২৭৩৭ ফ্লাইটে মঙ্গলবার একাধিক ভারতীয় দেশে ফিরেছেন। কমল জানান, তিনি ছাড়াও পশ্চিমবঙ্গের আরও পাঁচ-ছয় জন বাসিন্দা মঙ্গলবার কলকাতা বিমানবন্দরে ফিরিয়েছেন। কমল বিশ্বাস নদিয়ার বেতাই এলাকার বাসিন্দা। বিল্ডিং কনস্ট্রাকশনের কাজের জন্য ইজরায়েলে যান।
ভারতীয় দূতাবাসের ভূমিকারও প্রশংসা করেন তিনি। তবে আবার ফিরবেন ইজরায়েলে? কমল বলেন, ‘এখনই সেটা বলতে পারছি না। কাজের জন্য ভবিষ্যতে যাব কি না জানি না। আশা রইল। তবে মনের মধ্যে আতঙ্ক তো রয়েই গেল।’
কমল জানান, গত এক বছর ধরে ইজ়রায়েলে ছিলেন তিনি। কর্মসূত্রে গেলেও এই ভয়াবহ অভিজ্ঞতা তাঁর আগে হয়নি। তাঁর কথায়, ‘তেল আভিভে প্রচুর ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হচ্ছে। এত মিসাইল হানা দেখে আতঙ্কিত হয়ে গিয়েছিলাম। না বাঙ্কারে থাকতে পারছি, না অন্য কোথাও যেতে পারছি। সেই জন্যে বাড়ি ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নিই।’
কখন দেশে ফিরবেন, তার অপেক্ষাতেই ছিলেন কমল। তাঁর কথায়, ‘৯ তারিখ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু হয়েছে। মাঝেমধ্যেই মোবাইলে মেসেজ চলে আসত। দশ মিনিট আগে মেসেজ পাঠানো হতো। তার পরেই সাইরেন বাজত। তখনই বুঝে যেতাম, এ বার মিসাইল হানা হবে। তবে ইজরায়েল প্রশাসনের তরফে আগেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল নিরাপদে থাকার জন্য।’


More Stories
অভিষেকের জন্য জেলে গিয়েছিলাম : অনুব্রত
আর পারলেন না, মমতার হয়ে মদনের লড়াই শেষ
কালীঘাটের তৃণমূলকে স্বস্তি দিল শহীদ দিবস পালনের অনুমতি