সময় কলকাতা ডেস্ক:- কসবা ল কলেজের ঘটনায় উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে তিন মূল অভিযুক্ত-সহ চারজনকে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে কলকাতা পুলিশ। এবার এই ঘটনায় গঠন করা হল সিট। শুক্রবার সকাল থেকে কসবার আইন কলেজে গণধর্ষণের ঘটনা নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়।
নির্যাতিতা দাবি করেন, বুধবার সন্ধ্যায় তাঁকে ডাকা হয়েছিল গার্ড রুমে। অভিযোগ, তিনি সেখানে গেলে তাঁর উপর চড়াও হন তিনজন। গণধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। কাউকে কিছু না বলতে হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। পরে ওই ছাত্রী কসবা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ পেয়েই নড়েচড়ে বসেন পুলিশ আধিকারিকরা। প্রথমে দু’জনকে পাকড়াও করে জিজ্ঞাসাবাদ চলে।
তাঁদের থেকেই মূল অভিযুক্তের খোঁজ পাওয়া যায়। কালবিলম্ব না করে মূল অভিযুক্তকেও গ্রেফতার করা হয়। শনিবার সকালে কলেজের সরকারি নিরাপত্তারক্ষীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
জানা গিয়েছে, নির্যাতিতার বয়ান রেকর্ড করেছে পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজের সঙ্গে তাঁর বয়ান মিলিয়ে দেখা হচ্ছে। এদিকে, কলকাতা পুলিশ সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্স-এ লিখেছে, কসবায় ঘটে যাওয়া দুর্ভাগ্যজনক ঘটনাটিকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কিছু অসাধু ব্যক্তি সাম্প্রদায়িক রঙ দেওয়ার চেষ্টা করছে। এই ধরনের প্রচেষ্টা বিভ্রান্তিকর এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিঘ্নিত করার উদ্দেশ্যে পরিচালিত হচ্ছে। যারা মিথ্যা তথ্য এবং বিদ্বেষমূলক প্রচার চালাচ্ছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পুলিশের তরফে আরও লেখা হয়েছে, মামলায় যথোপযুক্ত আইনগত ও তদন্তমূলক পদক্ষেপ ইতিমধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে এবং তদন্ত কার্যক্রম সম্পূর্ণ আইন অনুযায়ী অগ্রসর হচ্ছে।
এদিকে, সাউথ ক্যালকাটা ল কলেজের এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই রাজ্যের উচ্চশিক্ষা দফতর রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুও দুঃখপ্রকাশ করেছেন এই ঘটনায়।


More Stories
শান্তি নেই শ্মশানেও -বঙ্গভূমির করুণ আখ্যান
গ্রেফতার কলকাতা পুরসভার দুই কাউন্সিলর
আরজিকর কাণ্ডের আইনি ফাঁসে রচনা