Home » শান্তিনিকেতনের শিল্প, সংস্কৃতির হাত ধরেই ভারত-চীন সম্পর্ক নিবিড় হবে

শান্তিনিকেতনের শিল্প, সংস্কৃতির হাত ধরেই ভারত-চীন সম্পর্ক নিবিড় হবে

সময় কলকাতা ডেস্কঃ সারা রাজ্য তথা দেশের বিভিন্ন অংশে শান্তিনিকেতনের কুটির শিল্পের ব্যাপক চাহিদা। চর্মশিল্প এখানকার প্রধান কুটির শিল্প। তা ছাড়াও কাঁথাস্টিচ, ফলের বীজ দিয়ে তৈরি বিভিন্ন গয়না এখানকার মূল কুটির শিল্পের মধ্যে অন্যতম।এবার শান্তিনিকেতনের হস্ত ও কুটির শিল্পকে বিশ্ব বাজারে প্রসারের ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা নেবে চীন।শনিবার শান্তিনিকেতনের আমার কুটির সহ বিভিন্ন হস্তশিল্প কেন্দ্রগুলি ঘুরে দেখলেন কলকাতা স্থিত চীনের কনসাল জেনারেল জঁ লিও। হস্তশিল্পের পাশাপাশি এদিন  শান্তিনিকেতনের সংস্কৃতির প্রসার ঘটানোর উদ্যোগ নিল বাউল ফাউন্ডেশন নামক একটি সংস্থা৷

শান্তিনিকেতনে বিশ্বভারতী ছাড়াও একাধিক হস্তশিল্প কেন্দ্র, সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ও ঐতিহ্যবাহী স্থান রয়েছে ৷ সাংস্কৃতিক চর্চা কেন্দ্রের অন্যতম বাউল ফাউন্ডেশন এই সকল কেন্দ্রগুলির শিল্প সামগ্রী, কৃষ্টির প্রসারের উদ্যোগ নিয়েছে৷ এদিনের এই ফাউন্ডেশনের একটি কর্মসূচিতে অংশ নেন সস্ত্রীক কলকাতা স্থিত চীনের কনসাল জেনারেল জঁ লিও। পাশাপাশি বীরভূমের ইলামবাজারের একটি প্রাচীন মন্দির ঘুরে দেখেন তাঁরা৷ এরপরে বল্লভপুরে আমারকুটির হস্তশিল্প পরিদর্শন করেন  কনসাল জেনারেল ৷ এই আমারকুটির হল শান্তিনিকেতনের হস্ত ও কুটির শিল্পের অন্যতম পীঠস্থান।

জানা গিয়েছে, শান্তিনিকেতনের কৃষ্টির প্রসার ঘটাতে চায় চীন। অনলাইনের মাধ্যমে শান্তিনিকেতনের হস্ত ও কুটির শিল্পের বিস্তারের পরামর্শ দেন চীনা কনসাল জেনারেল। এ বিষয়ে আমার কুটির হস্তশিল্পের এক আধিকারিক অনিত্য দাস বলেন, ‘চীনে কিভাবে ব্যবসার প্রসার হয়, সেই উদাহরণই তুলে ধরে শান্তিনিকেতনের হস্তশিল্পের এবার বিস্তার ঘটবে।যার কারণে আমরা খুব খুশি।’শান্তিনিকেতনের শিল্প, সংস্কৃতির হাত ধরেই ভারত-চীন সম্পর্ক নিবিড় হচ্ছে বলেই মনে করেন তারা।

প্রসঙ্গত, বর্তমান যুগ এখন অনেক বেশি প্রযুক্তিনির্ভর। যে কোনো কাজেই আমরা সাহায্য নিই বিভিন্ন অ্যাপের । আর এই অ্যাপগুলির মাধ্যমে বাড়ছে বিক্রি । কিন্তু তার মধ্যেও শান্তিনিকেতনের কুটির শিল্পের চাহিদা কোনও অংশেই কমেনি । শান্তিনিকেতনের সোনাঝুরি হাট, কোপাই নদীর তীরে গোয়ালপাড়া, আমারকুটির প্রভৃতি জায়গায় বিক্রি হয় একাধিক হস্তশিল্প সামগ্রী। শান্তিনিকেতনে ঘুরতে  এলেই পর্যটকরা ভিড় করেন এই স্থানগুলিতে। এখানে শিল্পীদের তৈরি কাঁথাস্টিচের শাড়ি, ব্যাগ, যেমন পাওয়া যায় তেমনি ফলের বীজ দিয়ে তৈরি গয়নাও পাওয়া যায়। তাই বলা ভালো বিশ্বের দরবারে এখন ছড়িয়ে পড়েছে শান্তিনিকেতনের হস্তশিল্প।

About Post Author