সময় কলকাতা ডেস্কঃ বাদশাহী আমলের গড়ের পতনে মুখ খুলছিলেন তিনি।’ বেতাজ বাদশা’ যখন দশদিনের জন্য সিবিআইয়ের হেফাজতে থাকবেন, তার আগেই বাদশার বিরুদ্ধে খড়্গহস্ত হওয়া চিকিৎসক ছুটি নিতে আর্জি জানিয়েছেন । মেরুদন্ড সোজা রাখতে বদ্ধপরিকর চিকিৎসক সাময়িক নির্জনতা চাইছেন তাই চাইছেন ছুটি। এক সপ্তাহের ছুটি চেয়ে আবেদন অনুব্রত মণ্ডলের চিকিৎসক চন্দ্রনাথ অধিকারীর।তথাপি উঠছে প্রশ্ন।
বুধবারই অনুব্রত মণ্ডলকে নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ তোলেন চিকিৎসক চন্দ্রনাথ অধিকারী। বৃহস্পতিবার বোলপুরের বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয় অনুব্রত মণ্ডলকে। এরপরই চিকিৎসক চন্দ্রনাথ অধিকারী জানান, শারীরিক ও মানসিক ভাবে অসুস্থ তিনি। পাশাপাশি পরিবারকে নিয়েও চিন্তায় আছেন তিনি। তাঁর এই মন্তব্যও অত্যন্ত ইঙ্গিতপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। তবে কি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন অনুব্রতর এই চিকিৎসক? তা নিয়েই উঠছে একাধিক প্রশ্ন।

মঙ্গলবারই অনুব্রত মণ্ডলের বাড়িতে বোলপুর মহকুমা হাসপাতালের পক্ষ থেকে একটি চিকিৎসকের দল আসে। সেই চিকিৎসকদের মধ্যে ছিলেন চন্দ্রনাথ অধিকারীও। বুধবার সিবিআই দফতরে হাজিরা না দেওয়ার পরই অনুব্রত মণ্ডলকে নিয়ে তিনি মন্তব্য করেন। তিনি জানান, অনুব্রত মণ্ডলকে সাদা কাগজে সাত দিনের বিশ্রামের কথা লিখে দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি তিনি আরও জানান যে, হাসপাতালের সুপারের নির্দেশেই এই কাজ করেছিলেন তিনি। সেই ঘটনার কয়েক ঘণ্টা পরই গরু পাচারকাণ্ডে গ্রেফতার হয়েছেন অনুব্রত মণ্ডল। এরই মধ্যে জানা গিয়েছে, অনুব্রতর চিকিৎসক ডাক্তার চন্দ্রনাথ অধিকারী সাত দিনের ছুটির আবেদন জানিয়েছেন। এদিন চিকিৎসক চন্দ্রনাথ অধিকারী জানিয়েছেন,‘পরিবারকে নিয়ে চিন্তায় আছি। সাবধানে থাকতে হবে।’ পাশাপাশি সব চিকিৎসককে মেরুদণ্ড সোজা রেখে চলার আবেদনও করেছেন তিনি।

বুধবারই বোলপুর মহকুমা হাসপাতালের চিকিৎসক চন্দ্রনাথ অধিকারী দাবি করেন, বোলপুর মহকুমা হাসপাতালের সুপার বুদ্ধদেব মুর্মুর নির্দেশ মতো তিনি অনুব্রত মণ্ডলকে সাদা কাগজে সাত দিনের বিশ্রামের কথা লেখেন। এমনকী অনুব্রতের নামে কাগজ ইস্যু করানোর অনুরোধও করেন তিনি। কিন্তু সুপার জানান, কোনও কাগজের প্রয়োজন নেই,সাদা কাগজে পেসক্রিপশন লিখে দিলেই হবে। যদিও এই বিতর্কের পর বোলপুর মহকুমা হাসপাতালের সুপার বুদ্ধদেব মুর্মুর সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তাঁর অফিসের দরজাও বন্ধ ছিল।এক সপ্তাহের ছুটি চেয়ে আবেদন অনুব্রত মণ্ডলের চিকিৎসক চন্দ্রনাথ অধিকারীর। বুধবারই অনুব্রত মণ্ডলকে নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ তোলেন চিকিৎসক চন্দ্রনাথ অধিকারী। বৃহস্পতিবার বোলপুরের বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয় অনুব্রত মণ্ডলকে। এরপরই চিকিৎসক চন্দ্রনাথ অধিকারী জানান, শারীরিক ও মানসিক ভাবে অসুস্থ তিনি। পাশাপাশি পরিবারকে নিয়েও চিন্তায় আছেন তিনি। তাঁর এই মন্তব্যও অত্যন্ত ইঙ্গিতপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। তবে কি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন অনুব্রতর এই চিকিৎসক? তা নিয়েই উঠছে একাধিক প্রশ্ন।
মঙ্গলবারই অনুব্রত মণ্ডলের বাড়িতে বোলপুর মহকুমা হাসপাতালের পক্ষ থেকে একটি চিকিৎসকের দল আসে। সেই চিকিৎসকদের মধ্যে ছিলেন চন্দ্রনাথ অধিকারীও। বুধবার সিবিআই দফতরে হাজিরা না দেওয়ার পরই অনুব্রত মণ্ডলকে নিয়ে তিনি মন্তব্য করেন। তিনি জানান, অনুব্রত মণ্ডলকে সাদা কাগজে সাত দিনের বিশ্রামের কথা লিখে দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি তিনি আরও জানান যে, হাসপাতালের সুপারের নির্দেশেই এই কাজ করেছিলেন তিনি। সেই ঘটনার কয়েক ঘণ্টা পরই গরু পাচারকাণ্ডে গ্রেফতার হয়েছেন অনুব্রত মণ্ডল। এরই মধ্যে জানা গিয়েছে, অনুব্রতর চিকিৎসক ডাক্তার চন্দ্রনাথ অধিকারী সাত দিনের ছুটির আবেদন জানিয়েছেন। এদিন চিকিৎসক চন্দ্রনাথ অধিকারী জানিয়েছেন,‘পরিবারকে নিয়ে চিন্তায় আছি। সাবধানে থাকতে হবে।’ পাশাপাশি সব চিকিৎসককে মেরুদণ্ড সোজা রেখে চলার আবেদনও করেছেন তিনি।
বুধবারই বোলপুর মহকুমা হাসপাতালের চিকিৎসক চন্দ্রনাথ অধিকারী দাবি করেন, বোলপুর মহকুমা হাসপাতালের সুপার বুদ্ধদেব মুর্মুর নির্দেশ মতো তিনি অনুব্রত মণ্ডলকে সাদা কাগজে সাত দিনের বিশ্রামের কথা লেখেন। এমনকী অনুব্রতের নামে কাগজ ইস্যু করানোর অনুরোধও করেন তিনি। কিন্তু সুপার জানান, কোনও কাগজের প্রয়োজন নেই,সাদা কাগজে পেসক্রিপশন লিখে দিলেই হবে। যদিও এই বিতর্কের পর বোলপুর মহকুমা হাসপাতালের সুপার বুদ্ধদেব মুর্মুর সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তাঁর অফিসের দরজাও বন্ধ ছিল।


More Stories
মোথাবাড়ি কাণ্ডের অশান্তির নেপথ্য “খলনায়ক” মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার কিসের ইঙ্গিত?
আরেক অভিনেতা প্রণবের অকালপ্রয়াণ
কেন ফুল বদলালেন লিয়েন্ডার পেজ?