সময় কলকাতা ডেস্ক,২ মার্চঃ অ্যাডিনো ভাইরাসের সংক্রমণের পরে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে ‘পপকর্ন লাংস’-এর প্রবণতা। সারাজীবন থেকে যেতে পারে এই প্রভাব, এমনটাই আশঙ্কার কথা শোনাচ্ছেন চিকিৎসকেরা। শহরে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে অ্যাডিনো ভাইরাসের আতঙ্ক। বুধবারই মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে শহরের দুটি সরকারি হাসপাতালে ৬ শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। এহেন পরিস্থিতিতে চিকিৎসকেরা আরও বেশি করে সতর্ক হবার বার্তা দিচ্ছেন। ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পরেও সুস্থ হয়ে উঠছেন অনেকেই। তবে তারপরেও অবশ্য থেকে যাচ্ছে চিন্তার কারণ। অ্যাডিনোভাইরাসের সংক্রমণ সেরে গেলেই এই সংক্রমণ রীতিমতো কাবু করে দিচ্ছে রোগীর ফুসফুসকে। অ্যাডিনোভাইরাসের সংক্রমণ থেকে সেরে ওঠার পর ‘পপকর্ন লাংস’-এর ধাক্কা সামলাতে হচ্ছে শিশুদের। এই রোগে তারাই আক্রান্ত হচ্ছে, যারা কিছুদিন আগেই অ্যাডিনোভাইরাস সংক্রমণ থেকে সেরে উঠছে।

চিকিৎসকদের একাংশের বক্তব্য, অ্যাডিনোভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে যাদের হাসপাতালে ভর্তি হতে হচ্ছে, ছুটি পাওয়ার কয়েকদিন পরেই ফের শ্বাসকষ্টের সমস্যা নিয়ে তাদের আবার ফিরতে হচ্ছে হাসপাতালে। ফুসফসের সিটি স্ক্যান করে দেখা গেছে ছোট ছোট প্রকোষ্ঠগুলো সংক্রমণের ফলে পপকর্নের মতো ফুলে উঠছে। চিকিৎসা বিজ্ঞানের পরিভাষায় একে ‘পোস্ট ইনফেকশন ব্রঙ্কিওলাইটিস অবলিটারেন্স’ বা পিবো বলা হয়। চলতি ভাষায়, ‘পপকর্ন লাংস’। ‘পপকর্ন লাংস’-এ অক্সিজেন এবং কার্বন ডাই অক্সাইডের আদানপ্রদান ব্যাহত হয়। ফলে শুরু হয় প্রবল শ্বাসকষ্ট। শৈশব তো বটেই কৈশোর পর্যন্ত থেকে যেতে পারে এই রোগের সুদূরপ্রসারী প্রভাব। এক্ষেত্রে এই রোগের মূল চিকিৎসা প্রথমে অক্সিজেন থেরাপি ও নেবুলাইজেশন,পরে ইনহেলার থেরাপিই।


More Stories
মোথাবাড়ি কাণ্ডের অশান্তির নেপথ্য “খলনায়ক” মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার কিসের ইঙ্গিত?
আরেক অভিনেতা প্রণবের অকালপ্রয়াণ
মার্চেই বকেয়া ডিএ দেওয়ার উদ্যোগ : এসওপি জারি