পুরন্দর চক্রবর্তী, সময় কলকাতা,৬ সেপ্টেম্বর : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শান্তিনিকেতন প্রতিষ্ঠা করেছিলেন যা কিনা প্রকৃতির কোলে শ্রদ্ধার সঙ্গে জ্ঞানের বিকাশ আর সৃজনশীলতার কেন্দ্র । কবিগুরুর আদর্শে সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারও চেয়েছিলেন বারাসাতে একটি ক্ষুদ্র শান্তিনিকেতন গড়ে তুলতে।প্রতিবন্ধকতা ছিল। সাংসদের ভাবনার রূপায়ণে যাবতীয় বাধা দূরে সরিয়ে বারাসাতের তৃণমূল নেতা ও পুরপিতা দেবব্রত পালের উদ্যোগে সাংসদ তহবিলের অর্থে নাগরিকরা পেতে চলেছেন শহরের বুকে এক টুকরো শান্তিনিকেতন। এক অভূতপূর্ব ভাবনার ফসল ফলতে চলেছে বারাসাতের পাইওনীয়ার পার্কে। বুধবার সন্ধ্যায় রবীন্দ্র মুক্তমঞ্চ নামে মিনি শান্তিনিকেতনের শিলান্যাস হয়ে গেল ঘটা করে।
শহরের বুকে সৃজনশীলতা ও আশ্রমিক ভাবনার বিকাশ ঘটানো কঠিন। আরও কঠিন ছিল বারাসাতে দীর্ঘদিনের অচলায়তন ভেঙে পরিবর্তন আনা । বারাসাতের তৃণমূল নেতা ও পুরপিতা দেবব্রত পালের উদ্যোগ আর বারাসাতের সাংসদ চিকিৎসকের ভাবনার মিশেল ঘটায় পরিবর্তনের আর সৃজনশীলতার স্বপ্ন বাস্তব আকার নিতে আর দেরি নেই।
উত্তর ২৪ পরগনা জেলার সদর শহর বারাসাতের প্রাণকেন্দ্র পাইওনীয়ার পার্ক। অথচ বারবার অভিযোগ উঠছিল, অচলায়তনের গন্ডিতে থেকে এই এলাকাকে পিছিয়ে পড়তে হচ্ছিল সংকীর্ণ রাজনৈতিক স্বার্থে, অচলায়তনকে ভাঙতে চেয়েছিলেন নবীন তৃণমূল নেতা দেবব্রত পাল। তিনি বারাসাতের সাংসদের ইচ্ছেকে পূর্ণতা দিলেন, বাম আমলে হাজার অজুহাতে আটকে থাকা রবীন্দ্র মুক্তমঞ্চের স্বপ্নকে এনে দিলেন হাতের মুঠোয়। কাকলি ঘোষ দস্তিদারের সদিচ্ছা ও সাংসদ কোটার ২৫ লক্ষ টাকা মিশে গিয়ে উন্নয়ন নতুন দিশা পেল,অচলায়তন ভেঙে হল শিলান্যাস। কয়েকমাসের অপেক্ষা। নাগরিক জীবনে আশ্রমিক সৃজনশীলতার কেন্দ্রের সম্পূর্ণ রূপায়ণ ঘটতে বিলম্ব নেই।
রবীন্দ্র মুক্তমঞ্চ প্রতিষ্ঠার প্রাথমিক ধাপ -শিলান্যাস উপলক্ষ্যে চাঁদের হাট বসেছিল বুধবার। উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষ, সেচমন্ত্রী পার্থ ভৌমিক, পুরপিতা অভিজিৎ নাগ চৌধুরী, অরুন ভৌমিক, চম্পক দাস, বারাসাত শহর যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি দেবাশীষ মিত্র, ছাত্রনেতা সোহম পাল সহ অন্যান্যরা।
আরও পড়ুন : বারাসাতে আবার কারখানায় বিস্ফোরণ থেকে আগুন, আহত একাধিক


More Stories
বাংলা নববর্ষের ইতিহাস
চিকিৎসকের বঙ্গসংস্কৃতির উদযাপন নববর্ষে
মোথাবাড়ি কাণ্ডের অশান্তির নেপথ্য “খলনায়ক” মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার কিসের ইঙ্গিত?