স্পোর্টস ডেস্ক, সময় কলকাতা, ১৫ নভেম্বর: তিনি বিরাট কোহলি। বর্তমান প্রজন্মের ক্রিকেটারদের মধ্যে তিনিই সেরা। ফের একবার প্রমাণ করলেন। বিশ্বকাপের মেগা মঞ্চে করে ফেললেন একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের অর্ধশততম শতরানটি। একদিনের ক্রিকেটে শতরানের বিচারে ছাপিয়ে গেলেন ভারতীয় ক্রিকেটের ভগবান সচিন রমেশ তেন্ডুলকারকে।

কলকাতার ইডেন গার্ডেনে স্পর্শ করেছিলেন সচিনের শতরানের রেকর্ড। বুধবার সচিনের ঘরের মাঠে, তাঁকে সাক্ষী রেখেই নয়া ইতিহাস লিখলেন বিরাট। ৪১তম ওভারের চতুর্থ বলটি ব্যাটে লাগিয়েই দৌড়ালেন। লং লেগ আর ডিপ মিড উইকেটের ফিল্ডার বল ধরার আগেই পৌঁছে গেলেন নির্দিষ্ট লক্ষ্যে। তারপর হেলমেট খুলে দিলেন একটি লম্বা লাফ। সম্ভবত আকাশটাকে ছুঁয়ে দেখতে চেয়েছিলেন কোহলি। গোটা স্টেডিয়াম তখন গর্জন করছে “কোহলি…..কোহলি….”। ক্যামেরায় দেখা গেল এক ফ্রেমে তিন ছবি। একদিকে কোহলির ইতিহাস উদযাপনের ছবি। দ্বিতীয় ছবিটি স্বামীর সাফল্যে গর্বিত অনুষ্কার। তার তৃতীয়টি স্বয়ং সচিন রমেশ তেন্ডুলকরের। তবে অনুজের কাছে সিংহাসন খোয়ানোর বিন্দুমাত্র দুঃখ ছিল না। বরং ছিল আনন্দের। কারণ, স্বদেশীয়র কাছে ভেঙেছে রেকর্ড। ভারতের ইনিংসের শেষে নিজের এক্স হ্যান্ডেলে স্মৃতিতে ডুব দিলেন ভারতীয় ক্রিকেটের কিংবদন্তি।

এক্স হ্যান্ডেলে ভারতের কিংবদন্তি ক্রিকেটের লিখেছেন, “ভারতের সাজঘরে তোমার সঙ্গে প্রথম আলাপ হওয়ার দিনটির কথা মনে পড়ছে। সতীর্থেরা মজা করে তোমাকে বলেছিল আমাকে প্রণাম করতে। এটাই নাকি ভারতীয় দলের সজঘরের রীতি। সেই মজা না বুঝে তুমি আমাকে প্রণাম করতে গিয়েছিলে। আমি সেই দিন নিজের হাসি থামাতে পারিনি। কিন্তু তুমি খুব দ্রুত প্রতিভা এবং খেলার প্রতি আবেগ দিয়ে আমার হৃদয় ছুঁয়ে নিলে। আমি খুব খুশি হয়েছি যে, সেদিনের সেই বাচ্চা ছেলেটা আজ বিরাট হয়ে গিয়েছে। আমি সব থেকে আনন্দ পেয়েছি এটা ভেবে যে এক জন ভারতীয় আমার রেকর্ড ভেঙেছে। বিশ্বকাপ সেমিফাইনালের মতো বড় মঞ্চে রেকর্ড ভাঙার কৃতিত্বটাই অন্যরকম। তাও আমার ঘরের মাঠ ওয়াংখেড়েতে।”


More Stories
শক্তিশালী দল গড়ছে মোহনবাগান, রেকর্ড অর্থে এলেন ছাঙতে
আর্জেন্টিনা এখন টিএমসির মতো : দিলীপ ঘোষ
বিশ্বকাপের নতুন মারাদোনা কে?