Home » Mohun Bagan : জল্পনার অবসান ঘটিয়ে আপুইয়ার নাম ঘোষণা মোহনবাগানের, বিবৃতিতে অভিনবত্বের ছোঁয়া

Mohun Bagan : জল্পনার অবসান ঘটিয়ে আপুইয়ার নাম ঘোষণা মোহনবাগানের, বিবৃতিতে অভিনবত্বের ছোঁয়া

স্পোর্টস ডেস্ক, সময় কলকাতা, ২৫ জুনঃ বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে অন্যতম মাস্টার পিস সত্যজিৎ রায়ের সোনার কেল্লা। এই ছবি দেখেননি এরকম বাঙালি বিরল। আদৌ এরকম বাঙালি আছে কিনা তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে। সেই ছবির একটি বিখ্যাত সংলাপ, যেখানে চুরি হয়ে যাওয়া পাহাড়ি ছুরি ‘কুকরি’-টি ফিরে পেয়ে লাফিয়ে উঠে জটায়ু বলেছিলেন, ‘এটা…. আমার’। আসলে এই কুকরি নিয়ে ছবিতে মন্দার বোস ও জটায়ুর মধ্যে যে টানাপোড়েনের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল তা অত্যন্ত রোমহর্ষক।  সেই সংলাপকে ধার করেই পাহাড়ি ফুটবলার আপুইয়ার দলে যোগদানের কথা ঘোষণা করল মোহনবাগান সুপার জায়ান্টস।  

কেন এত নাটকীয়তার আশ্রয়? গত মরশুমে মুম্বই সিটি এফসিতে খেলা এই ফুটবলারকে নিয়ে দড়ি টানাটানি কম হয়নি। ভারতের হয়ে নিয়মিত খেলা এই ফুটবলারকে নিজেদের দলে পেতে ঝাঁপিয়েছিল আইএসএলের প্রথম সারির সব বড় ক্লাব। প্রধানত লড়াইয়ে ছিল কলকাতার দুই প্রধান  ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগান। দলবদলের বাজারে এই দুই দলের সংঘাত অতীতে দেখেছে কলকাতা ময়দান। যা নিয়ে ময়দানে অনেক কাহিনী প্রচলিত রয়েছে। তবে গত দুই তিন দশকে সেই পরিস্থিতি দেখা যায়নি। এই মরশুমে আপুইয়াকে দলে নেওয়া নিয়ে ইস্ট-মোহন দুই পক্ষ আসরে নেমেছিল। পাহাড়ি ফুটবলারটি দলে নেওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী ছিলেন ইস্টবেঙ্গল কর্মকর্তারা। সমর্থকরাও অনেকে বিশ্বাস করতে শুরু করেছিলেন জাতীয় দলের ২৩ বছরের এই মিডফিল্ডার লাল-হলুদ জার্সি পরবেন। কিন্তু শেষমুহূর্তে পাশা বদলে দেন মোহনবাগান কর্ণধার সঞ্জীব গোয়েঙ্কা। বিপুল পরিমাণ অর্থ প্রস্তাব দেন তরুণ মিডফিল্ডারকে। সেই প্রস্তাবেই শেষ পর্যন্ত সম্মতি দেন লালেংমাউইয়া রালতে ওরফে আপুইয়া। সেই খবরে সরকারী সিলমোহর পড়ল মঙ্গলবার। আপুইয়াকে পাওয়ার লড়াইয়ে জিতে তাই সবুজমেরুনের সোশ্যাল মিডিয়াতে সোনার কেল্লা ছবিতে জটায়ুর সেই বিখ্যাত সংলাপটি ব্যবহার করা হয়।

আরও পড়ুনঃ UEFA Euro Cup 2024 : শেষ মুহূর্তের গোলে ক্রোয়েশিয়ার সঙ্গে ড্র, ইউরোর নকআউটে ইতালি

মোহনবাগানে যোগ দিয়ে ফুটবলার বলেন, “ভারতীয় ফুটবলে পরিচিত নাম মোহনবাগান। এই ক্লাবের ইতিহাস রয়েছে একটা। আমি উত্তেজিত সেই দলে খেলার সুযোগ পেয়ে। আমি চেষ্টা করব পরিশ্রম এবং আন্তরিকতার সঙ্গে নিজের সেরাটা দেওয়ার। মোহনবাগানকে তাদের লক্ষ্যে পৌঁছে দিতেই এই জার্সি বেছে নিয়েছি। আমার ফুটবল জীবনে এটা বিরাট একটা প্রাপ্তি। মাঠে নামার জন্য আমি মুখিয়ে রয়েছি। ক্লাবের সমর্থকদের মুখে হাসি ফোটাতে চাই।”

About Post Author