Home » সরাসরি প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ জহরের

সরাসরি প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ জহরের

সময় কলকাতা ডেস্ক, ২৬ সেপ্টেম্বর: আরজি কর কাণ্ডের আবহেই সম্প্রতি পদত্যাগ করেছেন তৃণমূল সাংসদ জহর সরকার। এই নিয়ে গত ১৯ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি লিখেছিলেন তিনি। পরের দিনই তাঁর সেই পদত্যাগপত্র গৃহীত হয়ে যায়। সাংসদ হিসেবে প্রধানমন্ত্রীকে তাঁর শেষ চিঠিতে টোকিয়োর রেনকোজি মন্দির থেকে সুভাষচন্দ্র বসুর চিতাভস্ম ফিরিয়ে ডিএনএ পরীক্ষার আবেদন জানিয়েছিলেন জহর সরকার। একই চিঠিতে প্রকাশ করেছিলেন সরকারের প্রতি তীব্র অসন্তোষ।

আরও পড়ুন: প্রিজ়ন ভ্যানে উঠতে গিয়ে হোঁচট, প্রেসিডেন্সি জেল হাসপাতালে ভর্তি টালা থানার প্রাক্তন ওসি

জহরের অভিযোগ কেন্দ্রের দৃষ্টি আকর্ষণে তাঁকে ১২ বার চিঠি দিতে হয়েছে। প্রথমে চিঠি দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে। সেখান থেকে জানানো হয় এই বিষয়টি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আওতায় আসে না। কার্যত প্রাক্তন সাংসদকে বলা হয়েছিল বিদেশ মন্ত্রী এস. জয়শঙ্করকে চিঠি দিতে। সেই কথা মত বিদেশমন্ত্রীকেও চিঠি দিয়েছিলেন জহর। তবে তাঁর অভিযোগ, সেখান থেকেও তাঁর চিঠি ফিরিয়ে দিয়ে বলা হয়  স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে দিতে। এরপর আরও কয়েকবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক থেকে বিদেশ মন্ত্রকে চিঠি দিয়েছিলেন জহর সরকার, তবে কোন সদুত্তর পাননি। কার্যত কিছুটা বিরক্তির শুরে এদিন তিনি মোদিকে দেওয়া চিঠিতে লিখেছেন “১২ বার চিঠি দিতে হয়েছে আমাকে। কিভাবে সরকার চলছে, এটা তার দুঃখজনক ছবি।”  তৃণমূলের রাজ্যসভার এই প্রাক্তন সাংসদ জহর চিঠিতে আরও যোগ করেছেন, “এটিই সাংসদ হিসেবে আমার শেষ চিঠি। আশা করছি, পদত্যাগ করলেও প্রধানমন্ত্রী আমার স্থায়ী ঠিকানায় উত্তর দেওয়ার ঔদার্য দেখাবেন।”

আরও পড়ুন: ‘থ্রেট কালচার’-এ অভিযুক্তদের আরজিকর হাসপাতালে দেখে বিক্ষোভ জুনিয়র ডাক্তারদের, উঠল ‘চোর চোর’ স্লোগানও

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি রাজ্য সরকারকে নিয়ে একাধিক অসন্তোষের কারণ ব্যাখ্যা করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি দিয়েছিলেন জহর সরকার। পরে এও জানা যায়, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কিছুক্ষণ তাঁর ফোনে কথাও হয়েছিল তাঁর। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নাকি তাঁকে অনুরোধ করেছিলেন পদ না ছাড়তে। তবে নিজের সিদ্ধান্তেই অনড় ছিলেন জহর। শেষমেশ সরকারিভাবে নিজের ইস্তফা পত্র জমা দিয়েছিলেন তিনি। দিল্লিতে জগদীপ ধনখড়ের দফতরে গিয়ে তাঁর হাতে পদত্যাগপত্রও তুলে দেন জহর সরকার। এবার তাঁর অসন্তোষ প্রকাশ করে চিঠি প্রধানমন্ত্রীর অফিসে।

About Post Author