সময় কলকাতা ডেস্ক, ৩১ ডিসেম্বরঃ দেশের রাজনৈতিক নেতারা বুঝে গিয়েছেন, উন্নয়ন নয়, ভোট বৈতরণী পার হতে গেলে একমাত্র দান খয়রাতি প্রধান ভরসা। আর তাই উন্নয়নমূলক কোনো প্রকল্প বা পরিকল্পনা নেই। শুধুমাত্র দান খয়রাতিতে ব্যস্ত বিভিন্ন রাজ্যের শাসক দল।
সামনেই নতুন বছরের শুরুতেই দিল্লি বিধানসভা নির্বাচন।ভোটের বাজারে তাই কল্পতরু দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা আপ প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল। এবার পুরোহিতদের প্রতি মাসে ১৮০০০ টাকা ভাতার প্রতিশ্রুতি দিলেন তিনি। দিল্লিতে নির্বাচনে জয়ী হলে পুরোহিতদের পাশাপাশি গুরুদ্বারের গ্রন্থিদেরও একই পরিমাণ অর্থ ভাতা দেওয়ার কথা জানিয়ে দিলেন কেজরিওয়াল।
আরও পড়ুনঃ গঙ্গাসাগর মেলাতে বাড়তি ১৩ হাজার পুলিশ! মেলাতেও আশঙ্কা জঙ্গি-অনুপ্রবেশকারীদের
প্রসঙ্গত, ভোটের আগে দান খয়রাতির রাজনীতির পথ দেখিয়েছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলায় নেই কোন শিল্প। নতুন কোন ভারী শিল্প আসার সম্ভাবনাও নেই। শিল্প তাড়ানোর ভাবমূর্তি বদলাতে চেষ্টা কম করেননি মমতা। কিন্তু তাতেও কোন লাভ হয়নি। তাই ভোটকৌশলী প্রশান্ত কিশোরের পরামর্শে রাজ্যজুড়ে চালু করেন বিভিন্ন দান খয়রাতি প্রকল্প। যেখানে সরাসরি সমাজের একটা বৃহৎ অংশের হাতে তুলে দেওয়া হয় টাকা। আর এতেই কেল্লাফতে। একের পর এক নির্বাচনী বৈতরণী পার হয়ে যাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর এরপর থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে শাসকদলের প্রধান ভরসা হয়ে উঠেছে উন্নয়ন নয়, দান খয়রাতি। সেই দান খয়রাতিতেই ভরসা রাখছেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। ‘মুখ্যমন্ত্রী মহিলা সম্মান যোজনা’য় ১৮ বছরের বেশি বয়সি দিল্লির মহিলাদের মাসে ২১০০ টাকা করে ভাতা দেওয়ার সিদ্ধান্ত আগেই ঘোষণা করেছে আপ। ‘সঞ্জীবনী যোজনা’ প্রকল্পে ষাটোর্ধ্বদের জন্য হাসপাতালে বিনামূল্যে চিকিৎসার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন কেজরি। এছাড়াও বিনামূল্যে বিদ্যুৎ পরিষেবা, বাসে মহিলাদের বিনামূল্যে পরিষেবা দেওয়ার কথাও ঘোষণা করা হয়েছে আম আদমি পার্টি।
আর এবার একেবারে সাংবাদিক বৈঠক করে কেজরির নতুন ঘোষণা, “পুরোহিত ও গ্রন্থিরা আমাদের ধর্মীয় রীতিনীতির রক্ষক। নিঃস্বার্থ ভাবে সমাজকে সেবা দিচ্ছেন। দুর্ভাগ্য যে কেউ তাঁদের আর্থিক অবস্থার দিকে নজর দেয়নি।” দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জানান, আগামিকাল থেকে পুরোহিতদের ভাতা প্রদানে নাম নথিভুক্তকরণ শুরু হবে। রাজধানীর হনুমান মন্দিরে তিনি নিজেই প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক সূচনা করবেন। সাংবাদিক সম্মেলনে বিজেপিকে খোঁচা দিয়ে কেজরি বলেন, “আমি বিজেপিকে অনুরোধ করছি নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় বাধা সৃষ্টি করবেন না। এটা আটকানো পাপ করার সমান। কারণ ওঁরা ঈশ্বরের সঙ্গে আমাদের সেতু তৈরি করেন


More Stories
মোদি ও বিজেপিকে খোঁচা : আগাম জামিন পেলেন নিয়ে নেহা সিং রাঠোর
রাজ্যসভায় নীতিশ, বিহারের মুখ্যমন্ত্রী কে এবার?
যোনিমুখে বীর্য নিক্ষেপই ধর্ষণের মাপকাঠি নয়, জানাল আদালত