সময় কলকাতা ডেস্ক:- কসবার হালতুতে একই পরিবারে ৩ জনের মৃত্যুর ঘটনায় আগেই এক ‘লোন এজেন্ট’ চঞ্চল মুখোপাধ্যায়কে গ্রেপ্তার করছিল পুলিশ। এ বার সেই ঘটনায় গ্রেপ্তার সোমশুভ্র মণ্ডল নামে অন্য এক লোন এজেন্ট। তাকে গ্রেপ্তার করেছে কসবা থানার পুলিশ। সোমনাথ এবং তাঁর পরিবারের মর্মান্তিক পরিণতির পেছনে এদের কোন ভূমিকা আছে কিনা জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা।
উল্লেখ্য, সোমনাথ সপরিবারে যে বাড়িতে থাকতেন সেটা তাঁর মামাবাড়ি। ওই বাড়ি নিয়েও মামা-মামির সঙ্গে তাঁর অশান্তি চলছিল বলে প্রতিবেশীদের দাবি। সোমনাথ, তাঁর স্ত্রী এবং তাঁর সন্তানের মৃত্যুর পর সুমিত্রার বাবা অর্থাৎ সোমনাথের শ্বশুরমশাই বিশ্বনাথ ভৌমিক এবং সুমিত্রার দিদি সুপর্ণা ভৌমিক কসবা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। সেই অভিযোগের উপর ভিত্তি করেই শুরু হয়েছে তদন্ত।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমনাথ একটি বেসরকারি ব্যাঙ্ক থেকে লোন নিয়েছিলেন ৫ লক্ষ টাকা। লোন প্রদানকারী একটি প্ল্যাটফর্ম থেকে ১.৬২ লক্ষ, একটি অ্যাপ থেকে ২ লক্ষ এবং অন্য একটি সংস্থা থেকে ২ লক্ষ টাকা সে ধার নিয়েছিল। টাকা ধার পেতে তাঁকে সাহায্য করেছিলেন এই চঞ্চল মুখোপাধ্যায় এবং সোমশুভ্র মন্ডল। কেন এরা সোমনাথকে লোন পাইয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করেছিলেন? নেপথ্যে কি কোনও অর্থনৈতিক স্বার্থ ছিল তাঁদের? সেই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন তদন্তকারীরা। হালতুর ঘটনায় আগেই সোমনাথের মামা এবং মামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত গ্রেপ্তার ৪ জন। পুলিশ সূত্রে খবর, আরও এক লোন রিকভারি এজেন্টের খোঁজ চলছে।


More Stories
পাটুলিতে শুট আউট, নিহত যুবক
জার্সিতে যৌন অপরাধে প্রাক্তন শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি
পাশের ঘরে বাবা-মা তবুও ১২ ঘন্টা ধরে চলেছে যৌন নির্যাতন! ইনফ্লুয়েন্সার শমীক অধিকারীর ১০ দিনের পুলিশি হেফাজত