সময় কলকাতা ডেস্ক:- পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার পর রাজধানীতে তত্রপরতা তুঙ্গে। পহেলগাঁও হামলা নিয়ে আলোচনা করতে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সর্বদল বৈঠক ডাকে কেন্দ্র। সেই বৈঠকের আগে দেখা যায়, সাউথ ব্লকে যখন একত্রিত হচ্ছেন বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতরা, তখন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে দেখা করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সঙ্গে ছিলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। তবে কি এবার প্রত্যাঘাতের পালা? প্রশ্ন সব মহলে। জম্মু ও কাশ্মীরে পর্যটকদের উপর জঙ্গি হামলার ঘটনার পর পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই পাঁচ-পাঁচটি পদক্ষেপ করেছে ভারত।
বুধবার সন্ধ্যায় দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাসভবনে আড়াই ঘণ্টা ধরে জরুরি বৈঠক করে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা সংক্রান্ত কমিটি। তার পরই রাত ৯টা নাগাদ সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন সিসিএসের কর্তারা। বিদেশ সচিব বিক্রম মিস্রি পাকিস্তানের বিরুদ্ধে পাঁচটি পদক্ষেপের কথা ঘোষণা করেন। জানান, জম্মু ও কাশ্মীরে সম্প্রতি সফল নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপত্যকায় উন্নতি হচ্ছে। অর্থনৈতিক অগ্রগতি হচ্ছে। সেই আবহে এই হামলা। বৃহস্পতিবার বিহারের মধুবনীর জনসভা থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও জানান, ভারতের আত্মায় আঘাত করা হয়েছে, কল্পনাতীত শাস্তি দেওয়া হবে।
সেই হুঙ্কারের কয়েকঘন্টা বাদেই দেখা গেল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। যা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। এদিকে বৃহস্পতিবার বিকেলেই দেখা যায়, ২০টি দেশের রাষ্ট্রদূতকে তলব করেন শাহ-জয়শঙ্কর। জার্মানি, জাপান, পোল্যান্ড, রাশিয়া, ব্রিটেনের মতো দেশের রাষ্ট্রদূতরা রয়েছেন সেই তালিকায়। পহেলগাঁও হামলা নিয়ে তাঁদের জানানো হয়েছে কেন্দ্রের তরফে।
ফলে জল্পনা চলছে, তাহলে কি পাকিস্তানের উপর আক্রমণ শানানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে কেন্দ্র? তাই কি বন্ধু রাষ্ট্রের দূতদের সঙ্গে পরামর্শ করছে নয়াদিল্লি? ২৬ জনের রক্তে ভেসেছে ভূস্বর্গ। পহেলগাঁওয়ে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিদের হামলার প্রতিবাদে ফুঁসছে ভারত। ইতিমধ্যেই পাকিস্তানের উপর কূটনৈতিক সার্জিক্যাল স্ট্রাইক করেছে নয়াদিল্লি। এবার কি তাহলে সরাসরি পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করবে ভারত? চর্চা তুঙ্গে।


More Stories
বিক্ষোভ দেখাতে গিয়ে গ্রেফতার অসিত মজুমদার
সোনারপুরে অভিষেককে মারধর, মেরে জামা ছিঁড়ে দেওয়া হল অভিষেকের
সই বিতর্কে বিজেপিকে তোপ চন্দ্রনাথের