Home » রাজ্যে দ্রুত শিল্পায়নই লক্ষ্য ,কর্মসংস্থানে উদ্যোগী মুখ্যমন্ত্রী , নিউটাউনে আন্তর্জাতিক পার্ক ‘বিশ্ব অঙ্গন’ ,শিল্পে বিনিয়োগ আরও ২৫ হাজার কোটি, ৭০ হাজারের কাজ

রাজ্যে দ্রুত শিল্পায়নই লক্ষ্য ,কর্মসংস্থানে উদ্যোগী মুখ্যমন্ত্রী , নিউটাউনে আন্তর্জাতিক পার্ক ‘বিশ্ব অঙ্গন’ ,শিল্পে বিনিয়োগ আরও ২৫ হাজার কোটি, ৭০ হাজারের কাজ

সময় কলকাতা ডেস্ক: রাজ্যে দ্রুত শিল্পায়নই লক্ষ্য। কর্মসংস্থানে উদ্যোগী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের একাধিক জায়গায় বিভিন্ন জমি চিহ্নিত করে শিল্পায়নের বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ক্ষমতায় আসার পর থেকে বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনের আয়োজন করে রাজ্য সরকার। সম্প্রতি বিশ্ব বাণিজ্য সম্মেলন থেকে বাংলায় শিল্প স্থাপন করতে চেয়ে কয়েক হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগের প্রস্তাব এসেছে বলে আগেই জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর শালবনিতে উদ্বোধন হয়েছে জিন্দলদের বিদ্যুৎ প্রকল্পের।বিদেশ থেকেও লগ্নি এনেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
তা সত্ত্বেও প্রায়শয়ই রাজ্যে শিল্প, কর্মসংস্থানের সুযোগ নিয়ে প্রশ্ন তোলে বিরোধীরা। তবে বুধবার পুরুলিয়া, পানাগড়, দুর্গাপুর, হাওড়া-সহ একাধিক জায়গায় বিভিন্ন জমি চিহ্নিত করে শিল্পায়নের বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার নবান্নে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, দ্রুত শিল্পায়ন রাজ্যের লক্ষ্য। পুরুলিয়ার রঘুনাথপুরে ১০টি জমি চিহ্নিত করা হয়েছে। পুরুলিয়া, পানাগড়, দুর্গাপুরে একাধিক সংস্থাকে জমি দেওয়া হয়েছে। ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কে একাধিক সংস্থাকে জমি দেওয়া হয়েছে। বাংলায় শিল্পের জন্য আরও অনেকে জমি চাইছেন। শিল্পায়নের ফলে রাজ্যে ক্রমশ বাড়ছে কর্মসংস্থান। রাজ্যের পশ্চিমাঞ্চলে প্রায় আড়াই হাজার একর জমিতে ২৫ হাজার কোটির বেশি বিনিয়োগ করতে চলেছে ১০টি শিল্প সংস্থা। এর ফলে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ৭০ হাজারের বেশি মানুষের কর্মসংস্থান হবে।
ভবিষ্যতে কলকাতার নিউটাউনে গড়ে উঠবে আন্তর্জাতিক মানের পার্ক ‘বিশ্ব অঙ্গন’। হিডকোর সঙ্গে পিপিপি মডেলে নিউটাউনে প্রায় ২৫ একর জমিতে গড়ে উঠবে এই বিশ্বমানের পার্ক।ইস্পাত শিল্পে কর্মসংস্থান আরও বাড়বে বলেই আশা মুখ্যমন্ত্রীর। মমতা জানান, রাজ্যের প্রায় প্রত্যেক জেলায় একটি করে বড় শপিং মল বা বিগ মার্কেট খোলা হবে। যেখানে হস্তশিল্পীরা নিজের হাতে তৈরি জিনিসপত্র সরাসরি ক্রেতার কাছে পৌঁছে দিতে পারবেন। তার ফলে বাড়বে আয়। মুখ্যমন্ত্রী দিঘা নিয়েও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানান মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, ভালো জমি পেলে দিঘায় বড় বাজার তৈরি হবে।বলে রাখা ভালো, এমনিতেই দিঘায় সারা বছরই পর্যটকের আনাগোনা লেগে থাকে। সম্প্রতি আবার সৈকতনগরীতে জগন্নাথ মন্দিরের দ্বারোদ্ঘাটন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তার ফলে আরও পর্যটকের সংখ্যা বাড়বে বলেই আশা। তার ফলে বাড়বে কেনাকাটা। উপকৃত হবেন পর্যটন ব্যবসায়ী ও স্থানীয়রা।

About Post Author