সময় কলকাতা ডেস্ক:- একদিকে যখন কেন্দ্রের সর্বদলীয় প্রতিনিধি দল পাকিস্তানের মুখোশ খুলতে বিশ্বভ্রমণে রওনা দিয়েছে, তখনই ঘরোয়া রাজনীতিতে এই কাঁদা ছোঁড়াছুঁড়িও চলছে পুরোদমে। সৌজন্যে বিজেপি এবং কংগ্রেস। বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধিকে পাক সেনা প্রধান আসিফ মুনিরের সঙ্গে তুলনা করল বিজেপি। কংগ্রেস সাংসদকে আধুনিক মীরজাফর বলে কটাক্ষ করে একফ্রেমে রাহুল ও মুনিরের অর্ধেক মুখ সোশাল মিডিয়ায় শেয়ার করলেন বিজেপি নেতা অমিত মালব্য। অন্যদিকে পাল্টা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের মুখ শেয়ার করে তোপ দাগল কংগ্রেস। সব মিলিয়ে অপারেশন সিঁদুরের পর এই ইস্যুকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক লড়াইয়ে নামল কংগ্রেস ও বিজেপি।
পাকিস্তানের বিরুদ্ধে অপারেশন সিঁদুর চলাকালীন পাকিস্তানের তরফে দাবি করা হয়েছিল তারা ভারতের ৫ বিমান ধ্বংস করেছে। এই ইস্যুতে সরকারের কাছে স্পষ্ট ব্যাখ্যা চেয়েছিলেন রাহুল গান্ধি। এর পাল্টা কংগ্রেস সাংসদকে নিশানায় নিয়ে কড়া সুরে আক্রমণ শানান বিজেপি আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য।
তিনি বলেন, রাহুল গান্ধি পাকিস্তানের ভাষায় কথা বলছেন অপারেশন সিঁদুরের সাফল্যের জন্য একবারও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে অভিনন্দন জানাননি উনি। অথচ প্রশ্ন তুলছেন যুদ্ধে ভারত কতগুলি বিমান খুঁইয়েছে। এর উত্তর ইতিমধ্যেই সেনার তরফে দেওয়া হয়েছে। সঙ্গে একটি ছবি শেয়ার করেন।
যেখানে দেখা গিয়েছে একফ্রেমে রাহুল ও মুনিরের অর্ধেক মুখ। এর পাশাপাশি আর একটি পোস্টারে অমিত লেখেন, রাহুল গান্ধি হলেন আধুনিক যুগের মীরজাফর।
এদিকে, বিজেপির এই পোস্টার সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতেই পাল্টা সরব হয় কংগ্রেস। একই পদ্ধতিতে প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের সঙ্গে নরেন্দ্র মোদির একটি ছবি সোশাল মিডিয়ায় শেয়ার করে কংগ্রেস। যেখানে লেখা, এক বিরিয়ানি দেশ পার ভারী। অর্থাৎ বিরিয়ানি দেশের জন্য বিপদ ঢেকে আনল। কংগ্রেসের এই পোস্টারের নেপথ্যে রয়েছে পুরনো এক গল্প।
২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর ২০১৫ সালে হঠাৎ একদিন পাকিস্তান সফরে যান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সাক্ষাৎ করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের সঙ্গে। সেই প্রসঙ্গ তুলেই এবার বিজেপিকে জবাব দিল কংগ্রেস। সবমিলিয়ে বিশ্বের দরবারে একজোট হওয়ার বার্তা দিলেও ঘরোয়া রাজনীতিতে কাঁদা ছোঁড়াছুঁড়িতে মত্ত বিজেপি এবং কংগ্রেস।


More Stories
অভিষেকের জন্য জেলে গিয়েছিলাম : অনুব্রত
আর পারলেন না, মমতার হয়ে মদনের লড়াই শেষ
কালীঘাটের তৃণমূলকে স্বস্তি দিল শহীদ দিবস পালনের অনুমতি