Home » চিনের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি সেরে ফেলল আমেরিকা; এর পরেই হয়তো ভারতের সঙ্গে খুব বড় সমঝোতা; ‘বড়সড়’ ট্রেড ডিলের ইঙ্গিত দিলেন ট্রাম্প

চিনের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি সেরে ফেলল আমেরিকা; এর পরেই হয়তো ভারতের সঙ্গে খুব বড় সমঝোতা; ‘বড়সড়’ ট্রেড ডিলের ইঙ্গিত দিলেন ট্রাম্প

সময় কলকাতা ডেস্ক:- ভারতের সঙ্গে বড়সড় বাণিজ্যিক চুক্তির ইঙ্গিত দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কয়েক সপ্তাহ আগে দুই দেশের প্রতিনিধি দল চারদিনব্যাপী ‘ক্লোসড ডোর’ আলোচনায় বসেছিল। বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসের ‘Big Beautiful Event’-এ ট্রাম্প বলেন, আমেরিকার আরও একটা চুক্তি হতে চলেছে, হয়তো ভারতের সঙ্গে। ভারতের সঙ্গে এই জোটবন্ধনকে তিনি ‘ভেরি বিগ ওয়ান’ বলে অভিহিত করেছেন।

চিনের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি করে ফেলেছে আমেরিকা। হোয়াইট হাউসে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে নিজেই সেই খবর জানান ডোনাল্ড ট্রাম্প। চিনের প্রসঙ্গ ওঠার পরেই ট্রাম্পের মুখে শোনা যায় ভারতের কথা। তিনি জানান, চিনের পরেই হয়তো ভারতের সঙ্গে ‘খুব বড়’ বাণিজ্যচুক্তি করতে চলেছে আমেরিকা। ট্রাম্প এ-ও জানিয়েছেন যে, সব দেশের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি করার পথে হাঁটবে না ওয়াশিংটন।

মে মাসেই আমেরিকার বাণিজ্য সচিব হাওয়ার্ড লুটনিক জানিয়েছিলেন, খুব শীঘ্রই ভারত এবং আমেরিকার মধ্যে বাণিজ্যিক বোঝাপড়া চূড়ান্ত হবে।

জানা গিয়েছিল, দুই দেশই নিজেদের বাণিজ্যিক স্বার্থের কথা মাথায় রেখে এই চুক্তি করতে চলেছে। গত ১০ জুন দেশের বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী পীযূষ গয়াল বলেছিলেন, দুই দেশের অর্থনীতিই লাভবান হয়, এমন দিকটি মাথায় রেখে স্বচ্ছ বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে আমেরিকার সঙ্গে আলোচনা চলছে। আসলে চিন-সহ একাধিক দেশের উপর পারস্পরিক শুল্ক চাপিয়েছিল আমেরিকা। অর্থাৎ যে দেশ আমেরিকা থেকে রপ্তানি হওয়া পণ্যে যত পরিমাণ শুল্ক চাপায়, সমপরিমাণ শুল্ক সেই দেশ থেকে মার্কিন মুলুকে আমদানি হওয়া পণ্যে চাপানোর সিদ্ধান্ত নেয় ট্রাম্প প্রশাসন।

ভারতের পণ্যে শুল্কের পরিমাণ ছিল ২৬ শতাংশ। ৯ এপ্রিল থেকে তা কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। তার আগে হোয়াইট হাউস এই বর্ধিত শুল্ক ৯০ দিনের জন্য স্থগিত করে দেয়। কিন্তু স্থগিতাদেশ সব দেশের ক্ষেত্রে প্রযুক্ত হলেও ব্যতিক্রম ছিল চিন। পাল্টা চিনের পণ্যে শুল্কের পরিমাণ বাড়িয়ে দেন ট্রাম্প। চিনা পণ্যের উপর শুল্কের পরিমাণ বাড়িয়ে ১৪৫ শতাংশ করে দেওয়া হয়। পাল্টা চিন ১২৫ শতাংশ শুল্ক চাপায় মার্কিন পণ্যে।

তবে এর মধ্যেই চিনের সঙ্গে বাণিজ্যিক সমঝোতা করতে জুনে লন্ডনের ল্যাঙ্কাস্টার হাউসে আমেরিকা-চিন প্রতিনিধিস্তরের বৈঠক হয়। অন্য দিকে, ট্রাম্প একাধিক বার দাবি করেছেন, ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে সংঘাত তিনিই থামিয়েছেন। বুধবার ট্রাম্প জানান, তিনি নাকি দুই দেশকেই জানিয়েছিলেন, সংঘাত না-থামালে দিল্লি এবং ইসলামাবাদের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি করবে না আমেরিকা। তার পরেই দুই দেশ সংঘর্ষবিরতিতে রাজি হয় বলে দাবি ট্রাম্পের। চিনের পরে ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি করার ইঙ্গিত দিলেও পাকিস্তান প্রসঙ্গ এখনও পর্যন্ত উত্থাপন করেননি ট্রাম্প।

About Post Author