সময় কলকাতা ডেস্ক:- সোমবারই রাজ্যের ২০০২ সালে ভোটার তালিকা প্রকাশের কাজ শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন। ইতিমধ্যেই ১০৯ টি বিধানসভা এলাকার নাম প্রকাশ করেছে কমিশন। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের ওয়েবসাইটে এই তালিকা ইতিমধ্যে প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রশ্ন উঠেছে, তাহলে প্রস্তুতি কি পুরোদমে নিচ্ছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন? বাংলার রাজনীতিতে চর্চা তুঙ্গে। এসবের মাঝেই ফের এসআইআর ইস্যুতে সরব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সাফ জানান, এসআইআর-এর নামে এনআরসি চালু করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তাঁর হুঁশিয়ারি, একজনও বৈধ ভোটারের নাম বাদ গেলে, তৃণমূল ছেড়ে কথা বলবে না।
মমতার কথায়, প্রত্যেককে ভোটার লিস্টে নাম তুলতে হবে নতুন করে। নতুন করে ভোটার লিস্টে নাম তোলার নামে এনআরসি চালু করার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। বাংলায় যেন একজনও ভোটার লিস্টে নাম তুলতে বাদ না রাখা হয়। এটা বৈধ ভোটারদের মাথায় রাখতে হবে। কেউ বাদ দিলে প্রতিবাদ করার বার্তা দেন মমতা।
সোমবারই বোলপুরের সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী বুথ লেভেল অফিসারদের স্মরণ করিয়ে দিয়েছিলেন, তাঁরা কিন্তু রাজ্য সরকারের কর্মচারী। শুধুমাত্র নির্বাচনের সময়ে নির্বাচনী আচরণ বিধি লাঘু হওয়ার পর তাঁরা নির্বাচন কমিশনের আওতায় থাকেন। তাঁরা রাজ্য সরকারি কর্মচারী হিসাবে যেন এটা মাথায় রাখেন, একজনও বৈধ ভোটারের নাম যাতে বাংলায় বাদ না যায়।
ইতিমধ্যেই এসআইআর ইস্যুতে সংসদে সরব হয়েছে তৃণমূল। সুপ্রিম কোর্টেরও দ্বারস্থ হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের বিহারে চলা বিশেষ ও নিবিড় সমীক্ষার বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে প্রথম মামলা দায়ের করেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র।
এবার সেই মামলায় যোগ দিতে চেয়েছে বাংলার সরকারও।
এমনিতেই ভিন রাজ্যে বাঙালি পরিযায়ী শ্রমিকদের হেনস্থার প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলায় এসআইআর হলে ৯০ লক্ষ নাম বাদ যাওয়ার আশঙ্কা আগেই করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তার ব্যাখ্যাও দিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রীর যুক্তি, বাংলার ডেমোগ্রাফি বদলে গিয়েছে। সীমানা লাগোয়া ৯টি জেলায় গত দশ বছরে ভোটার বৃদ্ধির পরিমাণ প্রায় গড়ে ২৫ শতাংশ। যেখানে গোটা দেশে তা মাত্র ৭ শতাংশ।
এমনকী, বিহারে তো ৩০ লক্ষ বাদ যাচ্ছে। বাংলায় ৯০ লক্ষ নাম বাদ যাবে। এবার ফের বিএলও-দের কড়া হুঁশিয়ারি বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। সাফ বললেন, এসআইআর-এর নামে এনআরসি চালু করার চেষ্টা করা হচ্ছে। বাংলায় যেন একজনও ভোটার লিস্টে নাম তুলতে বাদ না রাখা হয়।


More Stories
কেক কেটে ঈদ উদযাপন
সই বিতর্কে বিজেপিকে তোপ চন্দ্রনাথের
আরেকটি পদত্যাগ, এবার শান্তনু সেন