সময় কলকাতা ডেস্ক:- সোমবার ফের একবার গ্রেফতার হয়েছেন তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা। এবার তাঁকে গ্রেফতার করেছে ইডি। এবারও নিজের মোবাইল পুকুরে ছুড়ে ফেলে পালানোর চেষ্টা করেছিলেন তিনি। কিন্তু সফল হননি। আর তাঁর গ্রেফতারি নিয়ে নিজের স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে রাজ্যের শাসক দলকেই নিশানা করেছে বিরোধীরা। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী আবার জীবনকৃষ্ণ বিপ্লবী না রাজনৈতিক সংগ্রামী, জানতে চেয়েছেন। তাই কান টানা হয়েছে ঠিক আছে, মাথাও টানতে হবে। ইডিকে কার্যত ‘পরামর্শ’ দিয়ে দেন শুভেন্দু অধিকারী।
ইডি-সিবিআই আসলেই আগে মোবাইল ফেলুন। তৃণমূলকে স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে বিঁধলেন কংগ্রেস নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী।
তৃণমূল একটা দুর্নীতিতন্ত্র বানিয়েছে। একযোগে তৃণমূল-বিজেপিকে তোপ দাগলেন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম।
জীবনকৃষ্ণ সাহার গ্রেফতারি নিয়ে যখন দফায় দফায় তোপ দাগছে বিরোধীরা, তাত্পর্যপূর্ণভাবে ইডিকে তোপ দাগেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দুর্নীতি দমন নয়। কেন্দ্রীয় এজেন্সির মাধ্যমে বিরোধীদের দমিয়ে রাখাই উদ্দেশ্য কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের। বড়ঞার তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহাকে ইডির গ্রেফতারির পরই প্রকাশ্যে আসে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য।
তৃণমূলের অফিসিয়াল এক্স হ্যান্ডলে শেয়ার করা ভিডিওয় অভিষেক বলেন, একটি “ই” হল ইলেকশন কমিশন বা নির্বাচন কমিশন। তাকে নিজের মতো ব্যবহার করা যায় না। দ্বিতীয়ত “ই” হল ইনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। এর উদ্দেশ্য দুর্নীতি দমন নয়। এই প্রতিষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য বিরোধীদের জেলে পাঠানো।
দাগি’ মন্ত্রী-মুখ্যমন্ত্রী অপসারণ বিল নিয়ে চলছে জোর টানাপোড়েন। তারই মাঝে ফের কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার জালে তৃণমূল বিধায়ক। সুপ্রিম কোর্টের জামিনের মাত্র দেড় বছরের মাথায় ফের তৃণমূল বিধায়কের গ্রেপ্তারির নেপথ্যে রাজনীতির গন্ধ পাচ্ছে শাসক শিবির।
কারণ, তৃণমূলের তরফে বারবারই দাবি করা হয়, কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে বিরোধীদের কালিমালিপ্ত করতে নিজেদের ইচ্ছামতো ব্যবহার করছে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার। ফের বিধায়কের গ্রেফতারিতে আরও একবার সেই একই অভিযোগে সুর চড়িয়েছেন তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক।


More Stories
অভিষেক নিগ্রহ পর্ব : আদতে হয়েছিল কী? বিভিন্ন রাজনৈতিক মহল, নেতা-নেত্রীরা কী বলছেন!
সোনারপুরে অভিষেককে মারধর, মেরে জামা ছিঁড়ে দেওয়া হল অভিষেকের
প্রাক্তন বিধায়ক রফিকুরের ভাই আনিস গ্রেফতার