সময় কলকাতা ডেস্ক:- ফের লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধির প্রশ্নের মুখে নির্বাচন কমিশন। কর্নাটক, মহারাষ্ট্র, বিহারের পরে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদির নিজের রাজ্য গুজরাট নিয়ে। এ বার আর ভোট চুরি নয়, নির্বাচনী তহবিলে কয়েক হাজার কোটি টাকার নয়ছয়ের অভিযোগ করেছেন তিনি। নির্বাচন কমিশনকে তাঁর প্রশ্ন, তারা কি এই বিষয়ে তদন্ত করবে, নাকি এখানেও হলফনামা চাইবে?
সোশ্যাল মিডিয়ায় এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন শেয়ার করেছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধি।
সেই সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, গুজরাটে রাজনৈতিক দলের নামে বড়সড় দুর্নীতি চলছে। নির্বাচন কমিশনে নামহীনভাবে নথিভুক্ত ১০টি রাজনৈতিক দল গত ৫ বছরে সব মিলিয়ে ৪৩ হাজার কোটি টাকা অনুদান পেয়েছে। অথচ নির্বাচনী রাজনীতিতে এই ১০টি দলের সেভাবে কোনও অস্তিত্ব নেই।
হিসাবে বলছে, ২০১৯ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত পাঁচ বছরে এই ১০টি রাজনৈতিক দল চাঁদা হিসাবে এই বিপুল টাকা পেয়েছে। অথচ এই ১০টি দল মিলিয়ে ২০১৯ লোকসভা, ২০২৪ লোকসভা এবং ২০২২ গুজরাট বিধানসভা মিলিয়ে মোটে ৪৩টি প্রার্থী দিয়েছে। তাতে মোট ভোট জুটেছে মাত্র ৫৪ হাজার।
সেই সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, এই ১০টি দল মিলিয়ে বিপুল অনুদান পেলেও খরচ করেছে মাত্র ৪০ লক্ষ টাকা। অথচ অডিট রিপোর্টে দেখানো হচ্ছে এই দলগুলির খরচের অঙ্ক নাকি ৩৫ হাজার কোটি টাকা।
কোথায় গেল এত টাকা?
এই দলগুলি চালাচ্ছে কারা?
এত কোটি কোটি টাকা এদের অনুদানই বা দিচ্ছে কারা?
সব মিলিয়ে একাধিক প্রশ্ন এই দলগুলিকে নিয়ে। যার জবাব নির্বাচন কমিশনের কাছেই চাইছে বিরোধীরা। লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধি সোশাল মিডিয়ায় ওই রিপোর্ট তুলে ধরে ফের প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছেন নির্বাচন কমিশনকে।
গত ৭ আগস্ট বেঙ্গালুরু মধ্য লোকসভা আসনের মহাদেবপুরা বিধানসভা আসনের ভোটার তালিকা বিশ্লেষণ করে রাহুল গান্ধি ১ লক্ষের বেশি জাল ভোটার থাকার অভিযোগ করেছিলেন।
এর পরে, ১৭ আগস্ট প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার এক সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, কংগ্রেস নেতাকে হয় শপথ নিয়ে এই অভিযোগের বিষয়ে হলফনামা জমা দেওয়া উচিত।
না হলে দেশের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। গুজরাটে নির্বাচনী তহবিলে অনিয়মের যে অভিযোগ রাহুল গান্ধি করলেন, সেই বিষয়ে কমিশন কী বলে, এখন সেটাই দেখার।


More Stories
অভিষেকের জন্য জেলে গিয়েছিলাম : অনুব্রত
আর পারলেন না, মমতার হয়ে মদনের লড়াই শেষ
কালীঘাটের তৃণমূলকে স্বস্তি দিল শহীদ দিবস পালনের অনুমতি