সময় কলকাতা ডেস্ক, ২৭ অক্টোবর : আরজিকর হাসপাতালের আরেকজন চিকিৎসকের রহস্যজনকভাবে মৃত্যু ঘটল । আরজিকর হাসপাতালের তরুণ শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ দেবজিৎ আচার্যের মৃত্যু ঘিরে রহস্য রুমেই দানা বাঁধছে । জনপ্রিয় ৩৭ বছরের এই চিকিৎসকের বাড়ি বসিরহাটে হলেও তিনি মধ্যমগ্রামের শিশির কুঞ্জের একটি ফ্লাটে থাকতেন। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে তিনি হার্ট রেট কমানোর জন্য যে ওষুধ খেয়েছিলেন তার মাত্রা অধিক হওয়ায় দেহে বিষক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছিল, বারাসাতের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও বাঁচানো যায় নি দেবজিৎ আচার্যকে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে ময়নাতদন্তের জন্য দেহটি পাঠানো হয়েছে বারাসাত হাসপাতালে।
আরজিকর হাসপাতাল বিগত এক বছর ধরেই আলোচনার কেন্দ্রে। তরুণী চিকিৎসক কে ধর্ষণ ও হত্যার পরে সারা দেশে হইচই পড়ে গিয়েছিল। আরজিকর হাসপাতালের প্রেক্ষাপটে সার্বিকভাবে চিকিৎসা ক্ষেত্রে অনেক উত্থান পতন এবং রাজনৈতিক ঘটনা নতুন নতুন অভিমুখ দেখা গিয়েছে গত এক বছরে। এবার সেই ঘটনার স্মৃতিকে কি টাটকা করতে চলেছে আরেকটি মৃত্যু যার কার্যকারণ সম্বন্ধে একেবারেই ওয়াকিবহাল নন মৃত চিকিৎসকের পরিবার।
চাপ ছিল, মানসিক অবসাদে ভুগতেন প্রয়াত চিকিৎসক ঘনিষ্ট মহল থেকে এরকম তথ্য মিলেছে।মৃত চিকিৎসকের পিতা শ্যামল কুমার আচার্য দাম্পত্য বিবাদের তত্ত্ব উড়িয়ে দিয়েও বলেছেন, “পরিবারে অশান্তি ছিল না। ছেলে ও বৌমা একসঙ্গেই থাকতো। “কিন্তু এরকমভাবে মৃত্যু ঘটতে পারে তার বিন্দুমাত্র ধারণা ছিল না তাঁদের। পরিবারের তরফে বলা হয়েছে, ডিউটির চাপ ছিল কিন্তু তা কোনভাবেই মৃত্যুর কারণ হতে পারে না। সব মিলিয়ে পরিবারই ধোঁয়াশায়, কেন এই মৃত্যু? অন্যদিকে, কর্মক্ষেত্রগত কারণে আরজি করেন নাম যখন মৃত চিকিৎসকের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে তখন নড়েচড়ে বসছে বিভিন্ন বর্গের মানুষ যাদের মধ্যে চিকিৎসকরা ও উল্লেখযোগ্য ভাবে রয়েছেন।এখন দেখার, এই মর্মান্তিক মৃত্যু নতুন কোনও অনভিপ্রেত ঘটনার অভিমুখ খুলে দেয় কিনা।।


More Stories
অভিষেকের জন্য জেলে গিয়েছিলাম : অনুব্রত
আর পারলেন না, মমতার হয়ে মদনের লড়াই শেষ
কালীঘাটের তৃণমূলকে স্বস্তি দিল শহীদ দিবস পালনের অনুমতি