দীপ সেন ও পুরন্দর চক্রবর্তী, সময় কলকাতা : বারাসাত আদালত চন্দ্রনাথ রথ হত্যাকাণ্ডে ধৃত তিন অভিযুক্তের ১৩ দিনের পুলিশি হেফাজত মঞ্জুর করল ।শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথ রথ হত্যাকাণ্ডে তিনজন সন্দেহভাজন ও শার্প শুটার কে রবিবারের মধ্যেই ভিন রাজ্য থেকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।সোমবার তাদের বারাসাত আদালতে তোলা হয়। ১৪দিনের পুলিশ হেফাজত চেয়েছিল জানান ( সরকারি কৌসুলি ) পাবলিক প্রসিকিউটার। সরকারি আইনজীবী বিভাস চ্যাটার্জি জানান, আদালত ১৩দিনের পুলিশ হেফাজত মঞ্জুর করেছে। অবশেষে সরকারিভাবে নিশ্চিত করা হল এদের পরিচয়, গতিবিধি। কোন খান থেকে ঠিক এদের গ্রেফতার করা হয়েছে তা নিয়েও ধোঁয়াশা কেটেছে পুলিশি সূত্রে।চন্দ্রনাথ হত্যায় কারা গ্রেফতার, প্রকৃত আপডেট ঠিক কী?

জানা গিয়েছে মধ্যমগ্রাম থানায় রুজু হওয়া মামলায় একাধিক আইন প্রযোজ্য হয়েছে। ( মামলা নং 353 dated 6.5.26 /s 103(1)/111(2)(a)/126(2)/ 3(5) এবং 61(1) BNS r/w 25/27 অস্ত্র আইন )। জানানো হয়েছে মধ্যমগ্রামের দোহারিয়ায় ছয় তারিখ বুধবার সন্ধ্যায় চন্দ্রনাথ রথের নৃশংস হত্যাকাণ্ডে সুনির্দিষ্ট যোগ সূত্রে এখনও পর্যন্ত তিনজনকে সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এরা কারা? কোথা থেকে ধরা পড়বে এরা। প্রাথমিকভাবে বেসরকারিভাবে খবর ছড়িয়েছিল উত্তর প্রদেশ থেকে তিনজন শার্প শুটারকে ধরা হয়েছে যদিও পুলিশ সূত্র অন্য কথা বলছে।
সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে, মায়াঙ্ক রাজ মিশ্র এবং ভিকি মৌর্যকে বিহারের বক্সার থেকে আটক করা হয়েছিল এবং রাজ সিংকে রবিবার বালিয়া (উত্তরপ্রদেশ) থেকে আটক করা হয়েছিল৷ পরবর্তী জিজ্ঞাসাবাদে, তিনজনকেই আজ সকালে মধ্যমগ্রাম থানা গ্রেফতার করে।
প্রসঙ্গত,চন্দ্রনাথ হত্যার তদন্তে নেমেছিল সিআইডি ও এসটিএফ। গতকালই তাদের হাতে বড় ক্লু এসেছিল। জানা গিয়েছিল, আততায়ীরা ইউপিআই পেমেন্টের মাধ্যমে বালি টোল প্লাজায় টাকা দিয়েছিল। ওই ডিজিটাল লেনদেনের সূত্র ধরেই তল্লাশি শুরু করে তদন্তকারীরা। সেই সূত্র ধরেই উত্তর প্রদেশে পৌঁছন। অভিযান চালিয়ে বিহার ও উত্তর প্রদেশ থেকে তিনজন শার্প শুটারকে গ্রেফতার করা হয়। খুনের পর অভিযুক্তরা পালিয়ে গিয়েছিল ভিনরাজ্যে । রাতে তাদের কলকাতায় আনা হয়। রাতভর ভবানী ভবনে জেরা চলে। তদন্তকারীরা জানার চেষ্টা করছেন যে এই শার্প শুটারদের কে বা কারা ভাড়া করেছিল? কেনই বা টার্গেট করা হয়েছিল শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ককে তাও জানতে চেষ্টা করেন তদন্তকারী আধিকারিকরা।
প্রসঙ্গত, আগেই মনে করা হয়েছিল, চন্দ্রনাথের খুনের পিছনে বাইরের রাজ্যের যোগ থাকতে পারে। অত্যন্ত সুচারু পরিকল্পনার সঙ্গে চন্দ্রনাথকে খুন করা হয়েছিল। যে গাড়িটি ব্যবহার করা হয়েছিল, সেটির নম্বর প্লেট ভুয়ো ছিল। শিলিগুড়ির এক বাসিন্দা ওএলএক্সে বিজ্ঞাপন দিয়েছিলেন গাড়ি বিক্রির। সেই ছবি দেখে নকল নম্বর প্লেট বানায় আততায়ীরা।।


More Stories
বন্ধ হচ্ছে না কোনও চালু প্রকল্প, আর কী জানালেন শুভেন্দু
গোঘাটে তৃণমূল নেতা খু*ন
নেপো কিড নই, আবার দেখা হবে – সাসপেন্ড হয়ে আর কী বললেন ঋজু দত্ত