সময় কলকাতা ডেস্ক, ২৭ মে : মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রীর কল্যাণীতে হওয়া প্রশাসনিক বৈঠকে হাজির তৃণমূল বিধায়করা তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদানের সম্ভাবনা উড়িয়ে দিলেন। প্রশাসনিক বৈঠকের পরের দিনই জেলাশাসকের দফতরে আর একটি বৈঠক শেষে তৃণমূল বিধায়ক সুরজিৎ মিত্র এরকম সম্ভাবনা নস্যাৎ করলেন। বললেন, এরকম কোনও সম্ভাবনা নেই।
প্রশাসনিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সুনির্দিষ্ট কিছু নির্দেশ ছিল। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য বর্ষা নামার আগে জল জমার সমস্যা সমাধান করে নেওয়া। নদীয়া, উত্তর চব্বিশ পরগনা ও হুগলি জেলাকে নিয়ে কল্যাণীতে মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক বৈঠকের পরের দিন উত্তর চব্বিশ পরগনার জেলাশাসক শিল্পা গৌরী সারিয়ার দফতরে হাজির হয়েছিলেন জেলার বিজেপি ও তৃণমূলের বিধায়করা। ছিলেন পুর এবং প্রশাসনিক আধিকারিকরা। এই বৈঠকে আগত বসিরহাট দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়ক সুরজিৎ মিত্র সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে জানালেন, মঙ্গলবার তাঁরা কল্যাণীতে তাঁদের বিধানসভা কেন্দ্রের জনপ্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত হয়েছিলেন। উল্লেখ্য, মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রীর ডাকা প্রশাসনিক বৈঠকে তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার ছাড়াও উত্তর ২৪ পরগনার ৬ জন তৃণমূল বিধায়ক হাজির হয়েছিলেন। তৃণমূল বিধায়কদের হয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে কথা বলেছিলেন সুরজিৎ মিত্র। বুধবার সুরজিৎ মিত্র (যিনি বাদল নামেই পরিচিত ) জানালেন, তাঁদের মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক বৈঠকে অংশ নিতে ডাকা হয়েছিল। প্রশাসনিক বৈঠকে তারা হাজির হয়েছিলেন বিরোধী দল হিসেবে। বিরোধী দলের ক্ষেত্রে উন্নয়নে যেন বৈষম্য না হয় সেই বিষয়ে সুনিশ্চিত করতেই তারা গিয়েছিলেন। বিরোধী দল হিসেবে তাঁরা তাদের দাবি তুলে ধরেছেন। বিজেপিতে যোগদানের কোনো প্রশ্নই নেই, সম্ভাবনাও নেই – জানিয়েছেন সুরজিৎ মিত্র।।


More Stories
দলত্যাগী গিরগিটিদের নিয়ে কবিতা লিখলেন মমতা
জেলা সংসদীয় সভাপতির পদ ছাড়লেন কাকলি, নাম না করে কাকে আক্রমণ?
স্রোতের বিপক্ষে বাড়তি কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা পেলেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার!