সময় কলকাতা ডেস্ক, ১৯ ফেব্রুয়ারি : যোনিমুখে বীর্য নিক্ষেপ ধর্ষণের মাপকাঠি নয়। বলপূর্বক নারীর যৌনাঙ্গের উপরে কেউ বীর্যপাত করলেই তাকে ধর্ষণ বলা যাবে না। ছত্তিশগড় হাইকোর্ট সম্প্রতি একটি ঐতিহাসিক রায়ে জানিয়েছে যে, যোনির ভেতর পুরুষাঙ্গ প্রবেশ (penetration) না করিয়ে বীর্যপাত ঘটানো (ejaculation ) ধর্ষণ নয়, বরং এটি ধর্ষণের চেষ্টা (Attempt to Rape) হিসেবে গণ্য হবে।
ছত্তিশগড় রাজ্যে ২০০৪ সালের একটি মামলায় নিম্ন আদালত অভিযুক্তকে সাত বছরের কারাদণ্ড দিয়েছিল। নির্যাতিতা জেরার সময় স্বীকার করেছিলেন যে অভিযুক্ত পুরুষাঙ্গটি যোনির উপরে রেখেছিলেন এবং বীর্যপাত ঘটিয়েছিলেন কিন্তু পুরুষাঙ্গ ভেতরে প্রবেশ করাননি। আর এই জবানবন্দির ভিত্তিতে আদালতের পর্যবেক্ষণ শেষে ২২ বছর পরে বিচারপতি নরেন্দ্র কুমার ব্যাস জানান যে, তৎকালীন ভারতীয় দণ্ডবিধি (IPC) অনুযায়ী ধর্ষণের অপরাধ প্রমাণের জন্য ‘পেনিট্রেশন’ বা প্রবেশ ঘটানো অপরিহার্য (sine qua non)। বীর্যপাত ধর্ষণের একমাত্র মাপকাঠি নয়।
হাইকোর্ট অভিযুক্তর বিরুদ্ধে ধর্ষণের (ধারা ৩৭৬) অভিযোগ পরিবর্তন করে তাকে ‘ধর্ষণের চেষ্টা’র (ধারা ৩৭৬ এবং ৫১১) অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করেছে। যেহেতু অভিযুক্ত ইতিমধ্যেই ২১ বছরের বেশি সময় ধরে এই মামলার বিচারের সম্মুখীন এবং জেলে সময় কাটিয়েছেন, তাই আদালত তার সাজা কমিয়ে দিয়েছে। আদালত স্পষ্ট করেছে যে জবরদস্তি করে ঘরে নিয়ে যাওয়া বা নগ্ন করাকে ধর্ষণের ‘ প্রস্তুতি ‘ বলা গেলেও, প্রবেশহীন বীর্যপাত ‘প্রচেষ্টা’র পর্যায়ে পড়ে, কিন্তু সরাসরি ‘ধর্ষণ’ নয়।
আরও পড়ুন স্তনের রক্তাক্ত ইতিহাস : জানেন কি, দিতে হত স্তনকর?
# যোনিমুখে বীর্য নিক্ষেপ #যোনিমুখেবীর্যনিক্ষেপ #ছত্তিশগড়


More Stories
নীতিশ জমানা শেষ, বিহারের সম্রাট নতুন মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর বুলডোজার মডেল
আশা ভোঁসলের হার্ট অ্যাটাক
গ্রেফতার অজি ক্রিকেট তারকা ওয়ার্ণার