সময় কলকাতা ডেস্ক, ২৫ মে : হেলেন কেলার বলেছিলেন, “আমরা যখন আমাদের সেরা চেষ্টাটি করি, তখন আমরা নিজেরাও জানি না আমাদের জীবনে বা অন্যের জীবনে কী চমৎকার অলৌকিক ঘটনা ঘটতে চলেছে।” সেই অক্ষমতাকে জ্ঞান আর সীমাবদ্ধতাকে শক্তি করে তোলার প্রয়াস দেখালো প্যাক ডি ব্যাগ টুর্স সংস্থা। প্রয়াসের জন্য বেছে নেওয়া হলো রবীন্দ্র জয়ন্তী ও মাতৃ দিবসের উপলক্ষ্যকে। লক্ষ্য, বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ছেলেমেয়েদের জ্ঞান ও শক্তিকে সমাজের মূল ধারায় আপন বেগে বহমান করা। সংস্থার আধিকারিক সুমেলী চক্রবর্তী এবং ভাস্বর পার্থর কথায় — ‘এই অনুষ্ঠান আয়োজনের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল এই বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ছেলেমেয়েরা যাতে সমাজের মূল স্রোতে পা মেলাতে পারে এবং আগামী দিনে তাদের নিজস্ব সামর্থ্যকে কেন্দ্র করে যেন এগিয়ে চলতে পারে।’
জননীর শাশ্বত বচন -“আমার সন্তান যেন থাকে দুধেভাতে” -এদিনের অনুষ্ঠান তার সীমাকে দিয়েছে নবতম ব্যাপ্তি। মনোজ্ঞ অনুষ্ঠানে মাতৃরূপের প্রকারান্তর যা কিনা গর্ভধারিনী বা জন্মদাত্রী মাতার ধৈর্যশীলা -স্নেহময়ী রূপ ,আবার অসুরদলনী মাতা দূর্গতিনাশিনীর রূপ , মা আদ্যাশক্তি তেজস্বিনী, সর্বংসহা গঙ্গা বা দেশ মাতৃকার সমস্তই প্রকাশ পেয়েছে সৃজনশীলতার মাধ্যমে। শারীরিক এবং মানসিকভাবে অক্ষম কিশোর-কিশোরীরা এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে অবলীলায় এবং তাদের বিচরণ দিয়েছে মুগ্ধতা। বিশেষ অতিথি হিসেবে লোকসঙ্গীত শিল্পী স্বপন বসু এবং খ্যাতনামা ব্যান্ড গায়ক সিধুর মত স্ব-স্ব ক্ষেত্রে স্বনামধন্যদের অনুষ্ঠানে উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য।।


More Stories
রোহিঙ্গা ঠেকানো লক্ষ্য বিজেপির, বললেন খাদ্যমন্ত্রী
পুলিশের জালে তৃণমূল নেত্রী, তোলা হল বারাসাত আদালতে
নিজের স্ত্রীকে আবার বিয়ে করছেন খগেশ্বর রায়