সুময় কলকাতা ডেস্কঃচলতি বছর ২০২২ সের এপ্রিলে দ্বিতীয়বারের মতো মহাকাশভ্রমণে গিয়েছেন সামান্থা ক্রিস্তোফোরেত্তি। আর সেখানে গিয়েই তিনি বিশ্বজুড়ে তুমুল জনপ্রিয়তা পেয়েছেন নভোচারী টিকটক হিসাবে। বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সামান্থা ইতালির প্রথম নারী নভোচর। ২০১৪ সালে প্রথম মহাকাশে ভ্রমণ করেন তিনি। সেবার আইএসএসে একজন নারী হিসেবে টানা ১৯৯ দিন কাটিয়ে করেন রেকর্ডও। ২০১৭ ও ২০১৯ সালে সেই রেকর্ড ভেঙেও যায়। তবে এবার নতুন এক রেকর্ড করলেন তিনি।
মহাকাশে সামান্থা একটি টিকটক ভিডিও করেছেন সায়েন্স ফিকসান দ্য হিচহাইকারস গাইড টু দ্য গ্যালাক্সির লেখক ডগলাস অ্যাডামসের স্মরণে। সেখানে তিনি দেখিয়েছেন, মহাকাশে ওজনহীন অবস্থায় একটি ভেজা তোয়ালে কেমন আচরণ করে। আমাদের পৃথিবী থেকে একটি মহাকাশযান উৎক্ষেপণের পর তা ইন্টারন্যাশানাল স্পেস স্টেশনে ডকিং অর্থাৎ যুক্ত করার দৃশ্যও ধারণ করে সামান্থা অপর একটি টিকটক ভিডিও আপলোড করেছেন। এই ভিডিও এখন পর্যন্ত কোটি কোটি মানুষ দেখছেন ।
তবে সামান্থা যে মহাকাশে গিয়ে শুধু টিকটক ভিডিও করছেন তাই নয়। প্রতিদিন মহাকাশ স্টেশনের রক্ষণাবেক্ষণ ও গবেষণার কাজে ১২ ঘণ্টা নিজেকে যুক্ত রেখেছেন। তবে তারা একটি নতুন গবেষণার বিষয় নিয়ে ব্যাস্ত রয়েছেন মহাকাশযানে খুবই কম মহাকর্ষ বলের প্রভাবে কীভাবে ডিম্বাশয়ের কোষগুলো কাজ করে, তা খতিয়ে দেখা। সামান্থার নভোশ্চর দলটি যে গবেষণাটি করছেন তা একেবারেই প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। তাঁর বিশ্বাস, এই গবেষণার সুফল একদিন পৃথিবীর মানুষ পাবেই।
এদিকে আর একটি বিষয় নিয়ে তারা ভাবনা চিন্তা করছেন, মহাকাশে দীর্ঘ সময় থাকলে নভোচারীর শরীরের ওপর কেমন নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। আর সেই জন্যেই দিনের একটা সময় তিনি ফিজিক্যাল এক্সারসাইজ করে কাটান। মজার বিষয় হলো মহাকাশে কসরত করা নিয়েও তাঁর একটি টিকটক ভিডিও রয়েছে।


More Stories
বাংলা নববর্ষের ইতিহাস
আরেক অভিনেতা প্রণবের অকালপ্রয়াণ
বেজি কি সাপের বিষে কাবু হয় না?