সময় কলকাতা ডেস্ক: জল্পনা ছিল আগেই। সত্যিও হল তাই। উপরাষ্ট্রপতি পদে বাংলার রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়ই এনডিএ-এর প্রার্থী। শনিবার সন্ধেবেলা এনডিএ-এর পক্ষ থেকে ঘোষণা করেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। ট্যুইট করে তাঁকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
উল্লেখ্য, দ্রৌপদী মুর্মুকে রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী করে আদিবাসী সমাজের প্রতিনিধিকে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে বসানোর বার্তা দেয় কেন্দ্র। তারপর নাম উঠে আসে শাহনাওয়াজ হোসেন, মুখতার আব্বাস নাকবির। উভয়েরই সাংসদ পদের মেয়াদ শেষ হলেও নতুন করে টিকিট দেওয়া হয়নি। তবে, সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে বাংলার রাজ্যপালকে সেই পদে বসানোর জন্যে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা এনডিএ-র।
জগদীপ ধনখড়ের রাজনৈতিক কেরিয়ার কিন্তু বেশ লক্ষ্যনীয়। রাজস্থানের কৃষক পরিবারের ছেলে তিনি। অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদও বটে। ১৯৯০ সালে সংসদীয় কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব সামলেছেন তিনি। ১৯৯২ থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত রাজস্থানের কিষাণগড়ের বিধায়ক ছিলেন। ২০০৩ সালে বিজেপিতে যোগ দেন জগদীপ ধনকড়। ২০১৯ সালে তাঁকে বাংলার রাজ্যপাল হিসেবে নিযুক্ত করেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ।

তবে, রাজ্যপাল হিসেবে নিয়োগের পর থেকেই নবান্ন-রাজভবন সম্পর্ক খুব একটা যে মধুর তা বলা যায় না। বিভিন্ন ক্ষেত্রেই রাজ্যের বিরুদ্ধে খর্ব হয়েছেন ধনখড়। তাঁর ট্যুইট বাণের সঙ্গে পরিচিত রাজ্যবাসী। তবুও, তাঁর এনডিএ উপরাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হওয়াতে খুশি নয় তৃণমূল। ত্রিপুরার তৃণমূলের পর্যবেক্ষক রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতে, ধনখড় ছিলেন, ধনখড়ই আসবেন। তাই, তার পরবর্তীতে কে রাজ্যের রাজ্যপাল হিসেবে আসেন, তার দিকেই তাকিয়ে রাজ্যবাসী। তবে এসবের মাঝেই ধনখড়কে উপরাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী করায় হতবাক বিরোধীরাও।


More Stories
নীতিশ জমানা শেষ, বিহারের সম্রাট নতুন মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর বুলডোজার মডেল
আশা ভোঁসলের হার্ট অ্যাটাক
মোদি ও বিজেপিকে খোঁচা : আগাম জামিন পেলেন নিয়ে নেহা সিং রাঠোর