সময় কলকাতা ডেস্ক: অবশেষে সম্পন্ন হল লালনের সৎকার। প্রশাসনের উপস্থিতিতেই বগটুই কবরস্থানে কবরস্থ করা হল লালনের দেহ। কবরস্থ করার পরেও লালনের পরিবারের দাবি, সিবিআইকে গ্রেফতার করতে হবে। 
সিবিআই হেফাজতে থাকাকালীন কিভাবে মৃত্যু হল লালন শেখের? তাঁর জবাব দিতে হবে সিবিআইকেই। এই দাবিতে সরব হয় দুর্গাপুরবাসীরা। সিবিআই হেফাজতে লালন শেখের মৃত্যুর প্রতিবাদে দুর্গাপুরের সিবিআইয়ের অস্থায়ী ক্যাম্প ঘেরাও করে বিক্ষোভ দুর্গাপুরবাসীর।

অন্যদিকে, সিবিআই অফিসারদের গ্রেফতারের দাবিতে, লালন শেখের দেহ নিয়ে রামপুরহাটের সিবিআই ক্যাম্প অফিসের সামনে ধর্নায় বসে পরিবার। প্রথমে সিবিআই হেফাজতে মৃত লালন শেখের পরিবার প্রথমে দেহ নেবে না বলে জানায় পরিবার। মঙ্গলবার বিকেলে ময়নাতদন্ত শেষে লালনের স্ত্রী রেশমা বিবি জানান, যতক্ষণ না অভিযুক্ত সিবিআই কর্তারা গ্রেফতার হচ্ছে ততক্ষণ তাঁরা দেহ নেবেন না। বুধবার সকালে লালনের দেহ নিতে রাজি হয় পরিবার। রামপুরহাট হাসপাতাল থেকে থেকে দেহ বগটুই গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু পরিজনরা হঠাৎই দেহ নিয়ে সিবিআইয়ের অস্থায়ী ক্যাম্প অফিসের সামনে পৌঁছে যান। মুহূর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে উত্তেজনা। প্রায় আধঘণ্টা ধরে সিবিআই অফিসের বাইরে বিক্ষোভ দেখান লালনের পরিজনরা। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।


More Stories
ভারতের জিততে চাই ২২৬ রান
জন্মদিনে সোনার মেয়ে লাভলিনার সাফল্য
সেলিংয়ে ঐতিহাসিক রুপো