সময় কলকাতা ডেস্ক,১৪ জানুয়ারিঃ যোশীমঠ ঘিরে আতঙ্ক ক্রমশ বেড়েই চলেছে। যোশীমঠে কান পাতলেই শোনা যাবে বহু মানুষের আর্তনাদ। ভিটেমাটি ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হচ্ছেন বাসিন্দারা। তারই মধ্যে ফের নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে দেবভূমিতে। ফের যোশীমঠের সিংধরে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল আরও একটি মন্দির। এই ঘটনার জেরে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে বদ্রীনাথের প্রবেশদ্বার এলাকায়। এদিকে, যোশীমঠের এই বিপর্যয়ের মধ্যেই বদ্রীনাথ মন্দির ও তার আশপাশের এলাকায় শুরু হয়েছে তুষারপাত। বরফ পড়েছে চামোলি জেলার দিওয়াল ব্লক এলাকায়। অন্যদিকে,শুক্রবার রাতে ২টো নাগাদ ভয়াবহ ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে উত্তরকাশী। রিখটার স্কেলে কম্পনের তীব্রতা ছিল ২.৯। আর এই ভূমিকম্পের প্রভাব পড়েছিল যোশীমঠেও। ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল যোশীমঠ থেকে প্রায় ২৫০ কিলোমিটার দূরে। ইতিমধ্যেই উত্তরাখণ্ড সরকারের তরফে যোশীমঠকে বসবাসের অযোগ্য বলে ঘোষণা করা হয়েছে। বিপর্যয় রুখতে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বৈঠকও করছে রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকার। যোশীমঠের বাসিন্দাদের যাতে শিকড় উপড়ে না যায়, তার জন্যই ইতিমধ্যেই একটি মডেল শহর গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে সেন্ট্রাল বিল্ডিং রিসার্চ ইন্সটিটিউট।

ইতিমধ্যেই উত্তরাখণ্ড সরকারের তরফে যোশীমঠকে বসবাসের অযোগ্য বলে ঘোষণা করা হয়েছে। বিপর্যয় রুখতে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বৈঠকও করছে রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকার। যোশীমঠের বাসিন্দাদের যাতে শিকড় উপড়ে না যায়, তার জন্যই ইতিমধ্যেই একটি মডেল শহর গঠনের প্রস্তাব দিল সেন্ট্রাল বিল্ডিং রিসার্চ ইন্সটিটিউট। যোশীমঠের ভাঙন রুখতে এই সংস্থার তরফে একটি বিপর্যয় প্রতিরোধক মডেল শহর তৈরির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। যোশীমঠের যে সমস্ত বাসিন্দারা বাড়িতে ফাটল ধরার কারণে ঘরছাড়া হয়েছেন, তারা এরফলে উপকৃত হবেন। একদিকে যেমন সেন্ট্রাল বিল্ডিং রিসার্চ ইন্সটিটিউটের তরফে মডেল শহর গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, তেমনই কাউন্সিল অব সায়েন্টিফিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিসার্চের তরফেও তিন-স্তরীয় অ্যাকশন প্ল্যানের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

দেহরাদূনের সরকারি সংস্থা ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ রিমোট সেন্সিং-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, গঢ়ওয়াল হিমালয়ের যোশীমঠ এবং সংলগ্ন এলাকা ধীরে ধীরে ডুবতে বসেছে। বছরে আড়াই ইঞ্চি বা ৬.৫ সেন্টিমিটার করে মাটি বসে যাচ্ছে। একটু একটু করে ফাটল ধরছে বাড়ির ভিতগুলোতে। ২০২০ সালের জুলাই থেকে গত বছর মার্চ অবধি পাওয়া উপগ্রহচিত্রে ধরা পড়েছে, ভূমিধস শুরু হয়েছিল তিন বছর আগে থেকেই। ছবিতে দেখা গিয়েছে, যোশীমঠের নীচে টেকটনিক প্লেটের সংঘর্ষ হামেশাই হচ্ছে, ফলে এই অঞ্চলটি অত্যন্ত ভূমিকম্পপ্রবণ। রিপোর্ট আরও বলছে, ওই সময় যোশীমঠ ও আশপাশের এলাকার পাহাড়েও ফাটল দেখা দিয়েছিল।


More Stories
কলকাতায় পেট্রোলের দাম লিটারে ৪ পয়সা কমল, ডিজেল বাড়ল ৯৪ পয়সা
পুলওয়ামা হামলার মাস্টারমাইন্ড হামজা বুরহান খ*তম , কে এই হামজা?
ককরোচ জনতা পার্টির এক্স হ্যান্ডেল নিষিদ্ধ!