সময় কলকাতা ডেস্ক, ১৩ জানুয়ারিঃ চিনে করোনার বাড়বাড়ন্তে উদ্বেগ বাড়ছে গোটা বিশ্বে। চিনে হু হু করে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। এর মধ্যেই ওমিক্রনের আরও কয়েকটা উপপ্রজাতি ভারত সহ বিশ্বের নানা দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। চিনের মতো পরিস্থিতি যাতে এদেশে তৈরি না হয় সেজন্য আগে থেকেই সতর্ক কেন্দ্র সরকার। করোনার একের পর এক ভ্যাকসিন বুস্টারের জন্য অনুমোদন পাচ্ছে। ভারত বায়োটেকের ন্যাজাল ভ্যাকসিনের পরে এবার ছাড়পত্র পেল সেরাম ইনস্টিটিউটের তৈরি কোভোভ্যাক্স।
১৮ বছরের ঊর্ধ্বে সবাই নিতে পারবে কোভোভ্যাক্স টিকা। প্রাপ্তবয়স্ক যাঁরা কোভিশিল্ড অথবা কোভ্যাকসিনের দুটি ডোজ নিয়েছেন, তাঁরা বুস্টার ডোজ হিসেবে কোভোভ্যাক্স নিতে পারেন। এব্যাপারে বুধবারই বিশেষজ্ঞ কমিটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং কোভোভ্যাক্সকে বাজারে ছাড়পত্র দেওয়ার সুপারিশ করেছে। কবে থেকে দেওয়া শুরু হবে কোভোভ্যাক্স তা খুব দ্রুত সিদ্ধান্ত নেবে কেন্দ্রের ড্রাগ কন্ট্রোল অথরিটি।

জানা গিয়েছে এই টিকার ফর্মুলা মার্কিন কোম্পানি নোভোভ্যাক্স তৈরি করেছে। ভারতে এই টিকা তৈরি ও ট্রায়াল করেছে পুণের সেরাম ইনস্টিটিউট। প্রোটিন ভ্যাকসিন কোভোভ্যাক্স। করোনা ভাইরাসের জিনের এমন একটা অংশকে বেছে নিয়ে এই ভ্যাকসিন তৈরি হয়েছে। সেই জিনের অংশ ব্যাকুলোভাইরাস নামে এক ধরনের ভাইরাসে ঢোকানো হয়েছে। এই ব্যাকুলোভাইরাস কীটপতঙ্গের শরীরে সংক্রমণ ছড়ায়। এটিকে গবেষণাগারে বিশুদ্ধ করে তবেই ভ্যাকসিন তৈরি হয়েছে। মথের কোষে ভ্যাকসিন ইনজেক্ট করে দেখা গেছে সেটি এমন প্রোটিন তৈরি করে যা সার্স-কভ-২ ভাইরাসেরই মতো। শরীর এই প্রোটিন চিনে অ্যান্টিবডি তৈরি করে। অ্যাডাপটিভ ইমিউন রেসপন্স তৈরি হয় শরীরে। ম্যাট্রিক্স এম নামক অ্যাডজুভেন্ট যোগ করা হয়েছে ভ্যাকসিনের কার্যক্ষমতা বাড়ানোর জন্য। এই ভ্যাকসিন করোনার স্পাইক প্রোটিনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ তৈরি করতে পারে। দেহকোষের ACE-2 রিসেপটরের সঙ্গে খুব তাড়াতাড়ি যুক্ত হতে পারে। ফলে করোনার স্পাইক প্রোটিন আর দেহকোষের রিসেপটরকে খুঁজেই পাবে না। ফলে সংক্রমণ ছড়াতে ব্যর্থ হবে ভাইরাস।


More Stories
কলকাতায় পেট্রোলের দাম লিটারে ৪ পয়সা কমল, ডিজেল বাড়ল ৯৪ পয়সা
পুলওয়ামা হামলার মাস্টারমাইন্ড হামজা বুরহান খ*তম , কে এই হামজা?
ককরোচ জনতা পার্টির এক্স হ্যান্ডেল নিষিদ্ধ!