Home » এগরা বিস্ফোরণ কাণ্ডে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১২

এগরা বিস্ফোরণ কাণ্ডে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১২

সময় কলকাতা ডেস্ক, ২১ মেঃ এগরা বিস্ফোরণ কাণ্ডে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১২। শুক্রবার রাতেই কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে বিস্ফোরণে জখম রবীন্দ্রনাথ মাইতির মৃত্যু হয়। এরপর শনিবার সকালে মারা যান পিঙ্কি মাইতি। খাদিকুলে বাজি কারখানায় বিস্ফোরণের পরই ঘটনাস্থলে মারা যান ৯ জন। এরপর বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ওড়িশার হাসপাতালেই মৃত্যু হয় মূল অভিযুক্ত ভানু বাগের। এদিকে,এগরা বিস্ফোরণ কাণ্ডের পাঁচদিন পর অবশেষে খোঁজ মিলল বাজি তৈরির গোপন ডেরার। শনিবারই প্রচুর বাজি তৈরির সরঞ্জাম ও বাজি তৈরির মশলা উদ্ধার করে সিআইডি।

ইতিমধ্যেই এগরা বিস্ফোরণ কাণ্ডে রাজ্য সরকারের কাছে রিপোর্ট তলব করেছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। গত মঙ্গলবার পূর্ব মেদিনীপুরের এগরাতে বাজি কারখানায় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। সেই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন ১২ জন। এবার এই ঘটনা নিয়েই রাজ্যের ডিজি ও মুখ্যসচিবকে নোটিস পাঠাল কমিশন। নোটিসে বলা হয়েছে, কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তা আগামী ৪ সপ্তাহের মধ্যে রিপোর্ট আকারে পাঠাতে হবে। এই ঘটনার তদন্ত করছে সিআইডি। ঘটনার পরই খাদিকুল গ্রামে যান জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের প্রতিনিধিরা। কমিশনের দাবি, গ্রামবাসীদের বক্তব্য অনুযায়ী ওই গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে বেআইনি বাজি কারখানা চলছে। মোট ১৫ জন ওই কারখানায় কাজ করত। প্রশাসনিক গাফিলতি স্পষ্ট। এই ঘটনায় সিআইডি কী পদক্ষেপ করেছে, জখমদের চিকিৎসায় কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে সব ওই রিপোর্টে জানাতে হবে রাজ্যকে।

আরও পড়ুন   এই গরমে ত্বকের যত্ন নিতে দারুণ উপকারী বেদানার রস


এদিকে, এগরা বিস্ফোরণ কাণ্ডে মূল অভিযুক্ত মৃত ভানু বাগের ছেলে পৃথ্বীজিৎ বাগ এবং খুড়তুতো ভাইকে ১০ দিনের সিআইডি হেফাজতের নির্দেশ দিল আদালত। শুক্রবার ধৃতদের কাঁথি আদালতে পেশ করে সিআইডি। ধৃতদের ১৪ দিনের হেফাজত চেয়ে আদালতে আবেদন জানায় সিআইডি। ১০দিনের হেফাজতের আবেদন মঞ্জুর করেছেন বিচারক। এগরার বাজি কারখানায় বিস্ফোরণে গুরুতর জখম হন কারখানার মালিক ভানু বাগও। পুলিশের চোখে ধুলো দিতে সঙ্গে সঙ্গেই এগরা থেকে ভানুকে কটকে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছিল। এই হাসপাতালেই বৃহস্পতিবার রাতে মৃত্যু হয় ভানু বাগের।

About Post Author