সময় কলকাতা ডেস্ক,৮ জুনঃ গরু পাচার মামলার তদন্ত যত এগোচ্ছে,ততই যেন ঘনীভূত হচ্ছে রহস্য। এবার অনুব্রত মণ্ডল ঘনিষ্ঠ বিদ্যুৎ বরণ গায়েনের বাড়িতে সিবিআই হানা। বৃহস্পতিবার সকালে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বাড়ির ভেতর ঢুকেছেন সিবিআইয়ের তিন আধিকারিক। প্রায় ঘণ্টাখানেক তাঁর বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চলে। বিদ্যুৎ বরণ গায়েনকে জিজ্ঞাসাবাদের পর সিবিআই আধিকারিকরা বেরিয়ে যান। জানা গিয়েছে, এদিনই অনুব্রত-ঘনিষ্ট একাধিক ব্যক্তিকে সিবিআই ক্যাম্প অফিসে তলব করা হয়েছে। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। ইতিমধ্যেই সুকন্যা মণ্ডলের গাড়ির চালক তুফান নির্ধাকেও ডেকে পাঠানো হয়েছে সিবিআই-এর বোলপুরের অস্থায়ী ক্যাম্প অফিসে।
আরও পড়ুন ভারতে মটোরোলা ইডিজিই ৪০-এর বিক্রি শুরু হতেই ফ্লিপকার্ট দিচ্ছে আকর্ষণীয় ছাড়

প্রসঙ্গত, বিদ্যুৎ বরণ গায়েন অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিল অনুব্রত মণ্ডলের। তাঁকে অনুব্রত মণ্ডলের ছেলে হিসাবেই মনে করত বোলপুরের বাসিন্দারা। অনুব্রতর গ্রেফতারির পরই উঠে এসেছিল বিদ্যুৎবরণ গায়েনের নাম। জানা গিয়েছিল, শুধু অনুব্রত নন, সুকন্যার সঙ্গেও অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল পুরকর্মী বিদ্যুৎবরণের। অনুব্রত মণ্ডলের মেয়ে সুকন্যা মন্ডলের দুটি কোম্পানির যৌথভাবে ডিরেক্টর পদে ছিলেন এই বিদ্যুৎ বরণ গায়েন।

অনুব্রত মণ্ডলের পাশাপাশি তারও বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি রয়েছে বোলপুরে। কীভাবে এই বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি এল? গরু পাচারের যে বিপুল অংকের টাকা, তার সঙ্গে এর কোন যোগাযোগ রয়েছে কিনা? তা জানতে এদিন সিবিআই আধিকারিকরা এখানে এসেছে। এর আগেও এই বিদ্যুৎ বরণ গায়েনকে বেশ কয়েকবার তার বাড়িতে এসে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে সিবিআই আধিকারিকরা।
আরও পড়ুন ফের মর্মান্তিক রেল দুর্ঘটনা ওড়িশায়! ৬ শ্রমিককে পিষে দিল মালগাড়ি

উল্লেখ্য,অনুব্রত মণ্ডল ঘনিষ্ঠ বিদ্যুৎ বরণ গায়েন দীর্ঘদিন বোলপুর পুরসভার অস্থায়ী কর্মী হিসেবে কাজ করেছেন। ট্রাকের খালাসি ছিলেন তিনি। ২০১১ সালে তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পরই তিনি স্থায়ী চাকরি পেয়েছিলেন। এমনকী, অনুব্রতকে সিবিআই গ্রেফতারির পর যে কোম্পানিগুলির হদিশ মিলেছে। তাতে প্রথম ডিরেক্টরের নাম ছিল সুকন্যা। দ্বিতীয় নাম ছিল বিদ্যুৎবরণ গায়েন। কী ভাবে তিনি এত সম্পত্তির মালিক হলেন তা নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।


More Stories
শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেফতার জয়প্রকাশ
বিরোধী দলনেতার স্বীকৃতি তৃণমূল থেকে বহিস্কৃত ঋতব্রতকে
অভিষেকের দুয়ারে ইডি