Home » সেমিফাইনালে ইস্টবেঙ্গলের প্রতিপক্ষ নর্থইস্ট ইউনাইটেড কতটা শক্ত গাঁট ?

সেমিফাইনালে ইস্টবেঙ্গলের প্রতিপক্ষ নর্থইস্ট ইউনাইটেড কতটা শক্ত গাঁট ?

সময় কলকাতা ডেস্ক, ২৯ আগস্ট : ১৮ বছর ধরে সাফল্য আসে নি ডুরান্ড কাপে। ১৯ বছরের মাথায় ফাইনালে ওঠার হাতছানি।১৬ বারের ডুরান্ড চ্যাম্পিয়ন ইস্টবেঙ্গল মঙ্গলবার  ১৩২ তম ডুরান্ড কাপের প্রথম সেমিফাইনালে মাঠে নামছে ২০০৪ সালের পরে ফাইনালে ওঠার লক্ষ্যে। সেমিফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ নর্থইস্ট ইউনাইটেড। ইস্টবেঙ্গল এবারের ডুরান্ড কাপের শুরুটা ভালো না করলেও ধাপে ধাপে নিজেদের মেলে ধরছে। প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ আর্মির কাছে শেষ কয়েকমিনিটে দু গোল খেয়ে ম্যাচ ড্র করেছিল। তারপরে টানা তিনটি ম্যাচে জয় পেয়েছে ইস্টবেঙ্গল। এরমধ্যে ডার্বি জয় উল্লেখযোগ্য। মোহনবাগানকে চার বছর পরে প্রথমবার হারিয়ে তারা মরশুমের শুরু থেকেই চনমনে।তবে নর্থইস্ট ইউনাইটেডের সঙ্গে লাল হলুদের লড়াইটা খুব সহজ হবে না বলেই মনে করছেন ফুটবল বিশেষজ্ঞরা।

নর্থইস্ট ইউনাইটেড গতবার আইএসএলে চূড়ান্ত ভাবে ব্যর্থতার মুখ দেখলেও এবার তাদের দলের খোলনলচে পাল্টে ফেলেছে। তারা গত আইএসএলে ছিল লাস্টবয়। এবার সাফল্যের আশায় নর্থইস্ট বিদেশী খেলোয়াড় এনেছে বাছাই করে। ব্রাজিল, ফ্রান্স, স্পেন, মরক্কো বা প্যালেস্টাইন থেকে প্রথমসারির ফুটবলার চয়ন করেছে তারা । গত মাসেই ব্রাজিলের স্ট্রাইকার ইবসন মেলোকে সই করিয়েছে নর্থইস্ট।তাঁদের কোচ জুয়ান পেড্রো বেনালি মরক্কোর সর্বোচ্চ পর্যায়ের লিগে একাধিক ক্লাবের কোচিং করিয়ে এসেছেন। ফল ও আসছে আসছে হাতে নাতে। মরশুমের প্রথম টুর্নামেন্টে ইস্টবেঙ্গল যেমন অপরাজিত ঠিক একইভাবে অপরাজিত থেকে গিয়েছে নর্থইস্ট ইউনাইটেড । তারা এফসিগোয়ার মত শক্তিশালী দলকে রুখে দিয়েছে। ফরোয়ার্ড লাইনকে প্রচন্ড ভারসাম্যযুক্ত মনে হচ্ছে। বিদেশীরা গোল করছেন, জুনিয়ার মনবীর সিংও গোল পেয়েছেন। তবে ভারতীয়দের মধ্যে আসাম তথা পূর্ব ভারতের ছেলেরাই এবার এবার দলের অন্যতম চালিকা শক্তি। ডিফেন্সে অধিনায়ক আসামের গৌরব বোরা ও মিডফিল্ডে আসামেরই প্রজ্ঞান গগৈ রয়েছেন। তবে ডুরান্ড কাপে চমক দেখাচ্ছেন আসামের শিবসাগরের পার্থিব গগৈ। হ্যাটট্রিক সহ চার গোল করে ফেলেছেন তিনি। নর্থইস্ট ও ইতিমধ্যেই দশ গোল করে ফেলেছে টুর্নামেন্টে।অন্যদিকে, গোলে ইস্টবেঙ্গলের প্রাক্তন মিরশাদ মিচু ভরসা দিচ্ছেন।

খুব স্বাভাবিক ভাবেই  এই মুহুর্তে আপাত ভয়ঙ্কর মনে হওয়া নর্থইস্টকে রুখতে ইস্টবেঙ্গলের মিডফিল্ডের কার্যকরী হওয়া খুব জরুরি।ইস্টবেঙ্গলের আক্রমণভাগের শক্তি যথেষ্ট বেশি, মিডফিল্ড সচল থাকলে সুযোগ আসবেই কিন্ত ক্রেসপো ও হেরেরা জুটিকে যেমন আক্রমণে বল যোগান দিতে হবে তেমন পাহাড়ি দলটির সাপ্লাই লাইন কাটতে হবে। জর্ডন এলসের নেতৃত্বে রক্ষণভাগের সামনেও আজ বড় পরীক্ষা। সাধে কী আর ইস্টবেঙ্গলের কোচ কুয়াদ্রাত বলছেন, নর্থইস্ট ম্যাচ খুব বেশি চ্যালেঞ্জিং ”   ।।

About Post Author